সহিহ মুসলিম অঃ->জুমু’আ বাব->জুমু‘আর দিন খুত্‌বাহ্‌ চলাকালীন সময় চুপ থাকা প্রসঙ্গে হাঃ-১৮৫১

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে শুনেছি ..... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ১৮৩৬, ই.সে. ১৮৪৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->ওয়াসিয়্যাত বাব->এক তৃতীয়াংশের ওয়াসিয়্যাত হাঃ-৪১০০

আবূ তাহির ও হারমালাহ্‌, 'আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব, ইবনু লায়স, ইবনু আবূ 'উমার 'আব্‌দ ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সকলেই যুহরী (রহঃ) সূত্রে উক্ত সানাদে 'আম্‌র ইবনু হারিস এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪০৬২, ই. সে. ৪০৬১)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->আল্লাহ তা’আলা ছাড়া অন্য কারো কসম করার নিষেধাজ্ঞা হাঃ-৪১৪৭

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

'উকায়ল (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে আছে যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে এ থেকে নিষেধ করতে শুনার পর থেকে সে নামে আর শপথ করিনি। আর ঐ নামের কসমের উচ্চারণও করিনি। তবে তিনি “নিজের পক্ষ থেকে এবং অপরের উদ্ধৃতি দিয়েও” কথাটি উল্লেখ্ করেননি। (ই.ফা. ৪১০৯, ই.সে. ৪১০৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->অপরাধের (নির্ধারিত) শাস্তি বাব->যে ব্যক্তি নিজে ব্যভিচার স্বীকার করে হাঃ-৪৩১৪

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) আবুল ইয়ামান এবং শু’আয়বের মাধ্যমে যুহরী (রহঃ)-এর বরাতে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস শুনিয়েছেন। আর উভয়ের বর্ণিত হাদীসে ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন যে, আমার নিকট এমন এক ব্যক্তি হাদীস বর্ণনা করেছেন, যিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন, যেমন উল্লেখ করেছেন ‘উকায়ল (রাঃ)। (ই. ফা ৪২৭৩, ই. সে. ৪২৭৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->ফযীলত বাব->রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নামসমূহ হাঃ-৬০০১

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। শু‘আয়ব এবং মা‘মার (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে ‘আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি’ তিনি বর্ণনা করেছেন। আর মা‘মারের হাদীসে আছে, তিনি বলেন, আমি যুহরী (রহঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, ‘আল-আকিব’ কী? তিনি বললেন, এমন লোক যার পর আর নবী নেই। মা’মার ও ‘উকায়ল-এর হাদীসে রয়েছে ‘আল-কাফারাতা’, আর শু‘আয়ব-এর হাদীসে আছে ‘আল-কুফ্‌র’। (ই.ফা. ৫৮৯৬, ই.সে. ৫৯৩৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->ফযীলত বাব->রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সম্মান প্রদর্শন করা এবং অকারণে বেশি প্রশ্ন করা বা কষ্ট দেয়া ও অবাঞ্চিত ইত্যাদি বিষয় থেকে বিরত থাকা হাঃ-৬০১৬

আনাস (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। ‘উবাইদুল্লাহ হাদীসটিও এর সাথে রয়েছে, তবে শু’আয়ব যুহরীর সূত্রে তিনি ‘আবদুল্লাহ থেকে, তিনি জনৈক আহলে ‘ইল্‌ম থেকে শুনেছেন- ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফার মা ইউনুসের হাদীসের অনুরূপ বলেছেন। (ই.ফা. ৫৯১০, ই.সে. ৫৯৪৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->রসূলুল্লাহ্ এর বাণী: যারা এখন বর্তমানে আছে একশ বছরের মাথায় কোন লোক ভু-পৃষ্ঠে অবশিষ্ট থাকবে না। হাঃ-৬৩৭৪

মা’মার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যুহুরী (রহঃ) সূত্রে তাঁর হাদীসের অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬২৫০, ই.স ৬২৯৮)