ইবনু নুমায়র (রহঃ) এ একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি (আরবী) (গনীমাতের সম্পদে) এ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৩৫, ই.সে. ৪৪৩৭)
ইসমা’ঈল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৫৯২, ই.সে. ৪৫৯৪/ক)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুআয (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানে পাঠালেন। তিনি তাকে বললেনঃ এমন একটি জাতির নিকটে তুমি যাচ্ছ যারা আহ্লি কিতাব। তাদেরকে এমন সাক্ষ্য দিতে আহ্বান কর যে, আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আর কোন মা’বূদ নেই এবং আমি (মুহাম্মাদ) আল্লাহ্র রাসূল। এটা তারা মেনে নিলে তাদেরকে জানিয়ে দাও- অবশ্যই তাদের উপর আল্লাহ তা’আলা দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে ফরয করেছেন। তারা এটাও মেনে নিলে তাদেরকে জানিয়ে দাও- তাদের ধন-দৌলতে আল্লাহ তা’আলা যাকাত ফরয করে দিয়েছেন। তাদের ধনীদের মধ্য হতে এটা আদায় করে তাদের গরীবদের মাঝে বিলি করে দেয়া হবে। যদি তারা এটিও মেনে নেয় তাহলে সাবধান! তাদের উত্তম মাল (যাকাত হিসাবে) নেয়া হতে বিরত থাকবে। নিজেকে নিপীড়িতদের অভিশাপ হতে দূরে রাখ। কেননা, তার আবেদন এবং আল্লাহ তা’আলার মাঝে কোন প্রতিবন্ধক নেই। -সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭৮৩), বুখারী, মুসলিম।