সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর রোগ ও তাঁর ওফাত হাঃ-৪৪৩৯

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে পড়তেন তখন তিনি আশ্রয় প্রার্থনার দুই সূরাহ (ফালক ও নাস) পাঠ করে নিজ দেহে ফুঁক দিতেন এবং স্বীয় হাত দ্বারা শরীর মাসাহ করতেন। এরপর যখন মৃত্যু-রোগে আক্রান্ত হলেন, তখন আমি আশ্রয় প্রার্থনার সূরাহ দু'টি দিয়ে তাঁর শরীরে ফুঁ দিতাম, যা দিয়ে তিনি ফুঁ দিতেন। আর আমি তাঁর হাত দ্বারা তাঁর শরীর মাসাহ করিয়ে দিতাম। [৫০১৬,৫৭৩৫,৫৭৫১:মুসলিম ৩৯/২,হাঃ ২১৯২,আহমাদ ২৬২৪৯] (আ.প্র. ৪০৮৯, ই.ফা.৪০৯২)


সহিহ বুখারী অঃ->ফাযায়িলুল কোরআন বাব->মু’আব্‌বিযাত (সূরা ফালাক ও সূরা নাস)- এর ফযীলত। হাঃ-৫০১৬

'আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখনই নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হতেন তখনই তিনি ‘সূরায়ে মু’আব্বিযাত’ পড়ে নিজের উপর ফুঁক দিতেন। যখন রোগ কঠিন হয়ে গেল, তখন বাকাত অর্জনের জন্য আমি এই সূরা পাঠ করে তাঁর হাত দিয়ে শরীর মাসহ্ করিয়ে দিতাম।(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪৭)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->চিকিৎসা বাব->ঝাড়ফুঁক করার পদ্ধতি হাঃ-৩৯০২

নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যথা অনুভব করলে তিনি নিজেই ‘মুআব্বিজাত’ সূরাহগুলো (অর্থাৎ সূরাহ নাস ও ফালাক) পড়ে ফুঁ দিতেন। ব্যথা বৃদ্ধি পেলে আমি তা পড়ে তাঁর হাতে ফুঁ দিয়ে তা তাঁর ব্যথায় স্থানে বুলিয়ে দিতাম বরকত লাভের আশায়।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->চিকিৎসা বাব->তাবিজ-তুমার ও ঝাড়ফুঁক হাঃ-৩৫২৯

আয়িশাহ (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও অসুস্থ বোধ করলে আরোগ্য লাভের জন্য সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে নিজ দেহে ফুঁ দিতেন। তাঁর অসুস্থতা বেড়ে গেলে আমি তা তাঁর উপর পাঠ করতাম এবং তাঁর হাত তাঁর দেহে বরকতের আশায় মলে দিতাম। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।