সহিহ বুখারী অঃ->বিয়ে-শাদী বাব->নারীর বেশধারী পুরুষের নিকট নারীর প্রবেশ নিষিদ্ধ। হাঃ-৫২৩৫

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে থাকাকালে সেখানে একজন মেয়েলী পুরুষ ছিল। ঐ মেয়েলী পুরুষটি উম্মু সালামার ভাই ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ উমাইয়াকে বলল, যদি আগামীকাল আপনাদেরকে আল্লাহ্‌ তায়েফ বিজয় দান করেন, তবে আমি আপনাকে গায়লানের মেয়েকে গ্রহণ করার পরামর্শ দিচ্ছি। কেননা, সে এত মেদবহুল যে, সে সম্মুখ দিকে আগমন করলে তার পেটে চার ভাঁজ পড়ে আর পিছু ফিরে যাবার সময় আট ভাঁজ পড়ে। এ কথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে যেন কখনো তোমাদের কাছে আর না আসে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৫৫)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->পোশাক-পরিচ্ছেদ বাব->মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “যৌন কামনা রহিত পুরুষ” হাঃ-৪১০৭

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীদের নিকট এক নপুংসক (হিজড়া) কৃতদাস আসা-যাওয়া করতো। সকলেই তাকে ‘যৌন কামনা রহিত পুরুষ’ হিসেবে গন্য করতো। একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। এ সময় সে তাঁর কোন স্ত্রীর ঘরে ছিল এবং সে একটি নারীর প্রশংসা করে বললো, নারীটি যখন সামনের দিকে আসে মনে হয় চারভাঁজে আসছে আর যখন পিছনের দিকে যায় মনে হয় আটভাঁজে যাচ্ছে (অর্থাৎ খুব মোটা)। একথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি তো দেখছি, সে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ। সে যেন তোমাদের নিকট কখনো প্রবেশ না করতে পারে। অতঃপর সবাই তার থেকে পর্দা করলেন।