সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, একলোক একটি ছিদ্র দিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঘরে উঁকি মারে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন চিরুনী দিয়ে মাথা আঁচড়াচ্ছিলেন। তিনি বললেনঃ আমি যদি জানতাম যে, তুমি ছিদ্র দিয়ে তাকিয়ে দেখছ, তা হলে এ (চিরুনী) দিয়ে আমি তোমার চোখ বিঁধিয়ে দিতাম। দৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্যই তো অনুমতি গ্রহণ করার বিধি রাখা হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৮৭)
সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একবার এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কোন এক হুজরায় উঁকি দিয়ে তাকালো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে একটা ‘মিদরা’ ছিল, যা দিয়ে তিনি তাঁর মাথা চুলকাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ যদি আমি জানতাম যে , তুমি উঁকি দিবে, তবে এ দিয়ে তোমার চোখ ফুঁড়ে দিতাম। তাকানোর জন্য অনুমতি গ্রহনের বিধান দেয়া হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৯৪)
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঘরের একটি ছিদ্রপথে তাঁর দিকে উঁকি দিল। তখন তিনি একটি লোহার চিরুনি দিয়ে তাঁর মাথার চুল বিন্যাস করছিলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি যদি জানতাম যে উঁকি দিয়ে আমার দিকে তাকাচ্ছে, তাহলে এটা (চিরুনি) তোমার চোখে ঢুকিয়ে দিতাম। দৃষ্টিশক্তির কারণেই তো অনুমতি প্রার্থনায় নিয়ম চালু করা হয়েছে। সহীহঃ সহীহুত্ তারগীব (৩/২৭৩), বুখারী ও মুসলিম।
সাহ্ল ইব্ন সা‘দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরের ছিদ্রপথে দেখছিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একখণ্ড কাষ্ঠ ছিল, যা দিয়ে তিনি তাঁর মাথা চুলকাতেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকে দেখলেন, তখন বললেনঃ যদি আমি জানতে পারতাম যে, তুমি আমাকে দেখছো, তবে আমি তোমার চোখে এই কাষ্ঠ ঢুকিয়ে দিতাম। অনুমতি গ্রহণের বিধান তো দেওয়া হয়েছে এজন্যই যাতে উঁকি মেরে দেখতে না হয়।