সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->রেশমী জুব্বা পরে সালাত আদায় করা ও পরে তা খুলে ফেলা। হাঃ-৩৭৫

‘উকবা ইব্‌নু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটা রেশমী জুব্বা হাদিয়া হিসেবে দেয়া হয়েছিল। তিনি তা পরিধান করে সালাত আদায় করলেন। কিন্তু সালাত শেষ হবার সাথে সাথে দ্রুত তা খুলে ফেললেন, যেন তিনি তা পড়া অপছন্দ করছিলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ মুত্তাকীদের জন্যে এই পোশাক সমীচীন নয়। [১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৮)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->কাবা ও রেশমী ফার্‌রূজ, আর তাকেও এক প্রকার কাবাই বলা হয়, যে জামার পশ্চাতে ফাঁক থাকে। হাঃ-৫৮০১

উকবা ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে একটি রেশমী কাবা হাদিয়া দেয়া হল। তিনি তা পরেন এবং তা পরে সালাত আদায় করেন। সালাত শেষে তিনি তা খুব জোরে খুলে ফেললেন, যেন এটি তিনি অপছন্দ করছেন। এরপর বললেনঃ মুত্তাকীদের জন্য এটা সাজে না। ‘আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ইউসুফ, লায়স থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। অন্যেরা বলেছেনঃ ‘ফাররূজ হারীর’ হল ‘রেশমী কাপড়’। [৩৭৫; মুসলিম ১/৯৪, হাঃ ২১৬, আহমাদ ৮০২২, ৮৬২২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৩)


সুনান নাসাঈ অঃ->কিব্‌লা বাব->রেশমী বস্ত্রে সালাত হাঃ-৭৭০

উকবা ইব্‌ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি রেশমী কাবা (আরবী) হাদিয়া দেয়া হয়েছিল। তিনি তা পরিধান করে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাত আদায় করে অতি তাড়াতাড়ি অপছন্দকারীর ন্যায় তা খুলে ফেললেন। তারপর তিনি বললেন : এটা মুত্তকীদের জন্য উপযুক্ত নয়। [১]