আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পশ্চিম দিকে সূর্যোদয়ের পূর্বে কিয়ামাত সংঘটিত হবে না, আর যখন পশ্চিমাকাশে সূর্য উঠবে তখন সকল মানুষ একত্রে ঈমান আনবে। কিন্তু যে ইতঃপূর্বে ঈমান আনেনি অথবা যে ঈমান অনুযায়ী নেক কাজ করেনি সে সময়ে ঈমান আনায় তার কোন কল্যাণ সাধিত হবে না। আবূ বাক্র ইবনু শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব, যুহায়র ইবনু হার্ব ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৯৩, ২৯৪; ই.সে. ৩০৪, ৩০৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়ার হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৬৯৮, ই.সে. ৭১৩)
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) -এর মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ১০৫১ ই. সে. ১০৬০)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২০৭, ই.সে. ১২১৮)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মালিক - এর মাধ্যমে ইয়াহ্ইয়া কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে কারোর বর্ণিত হাদীসেই “মা’আল ইমাম” (ইমামের সাথে) কথাটি নেই। তবে ‘উবায়দুল্লাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে পুরো সলাতই পেয়ে গেল। (ই.ফা. ১২৪৮, ই.সে. ১২৬১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তাবে মা’মার-এরক বর্ণনায় হাদীসে উল্লেখ আছে, তিনি বলেন আমি এ হাদীসটি মারফূ’ হওয়া সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানি। (ই.ফা. ২০৫৫, ই.সে. ২০৬০)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়ে ছিলেন। (ই.ফা. ২৭৫২, ই.সে. ২৭৫০)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’ইদ ও আবূ সালামাহ্ অথবা তাদের একজন সূত্রে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) ত্থেকে, ‘আমর থেকে মা’মার সূত্রে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩৪৮১, ই.সে. ৩৪৮০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৩৮৫৮, ই. সে. ৩৮৫৭)
সালিম (রহঃ)-এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা 'উমার (রাঃ) কে তাঁর পিতার নামে শপথ করতে শুনলেন। পরবর্তী অংশ ইউনুস ও মা’মার (রহঃ)- এর বর্ণনার অনুসারে বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪১১০, ই.সে. ৪১০৮)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫২০০, ই.সে. ৫২১২)
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, ‘আম্র আন্ নাকিদ, যুহায়র ইবনু হার্ব, ইবনু আবূ ‘উমার ও আবূ কামিল জাহ্দারী (রহঃ) ... সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আল্-লায়স (রহঃ) ও ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবুহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৫৫, ই.সে. ৫৪৭৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ তাহির (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) -এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে (পূর্বোক্ত) ‘উকায়ল (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে (দ্বিতীয় সানাদে) সুফ্ইয়ান (রহঃ) ও (প্রথম সূত্রে) ইউনুস (রহঃ)-এর হাদীসে ‘আল হাব্বাতুস্ সাওদা রয়েছে। (তার বিশ্লেষণে) তিনি ‘শূণীয’ শব্দটি বলেননি। (ই. ফা. ৫৫৭৬, ই. সে. ৫৬০২)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা.৫৯৭০, ই,সে ৬০০৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.৬৪০৭, ই.সে.৬৪৫৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে (আরবি) এর স্থলে (আরবি) বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৭০৭৯, ই.সে. ৭১৩৩
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতেরত অবস্থায় ইশারা করতেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনাতে স্বীয় সাহাবীদের নাজাশীর মৃত্যু সংবাদ দিলেন। সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পেছনে কাতার বন্দী হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং তিনি তাঁর উপর জানাযার সালাত আদায় করলেন ও চারটি তাকবীর বললেন।