সহিহ বুখারী অঃ->জানাযা বাব->জানাযায় অনুগমনের আদেশ। হাঃ-১২৩৯

বারা’আ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাতটি বিষয়ে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয়ে আমাদের নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন- ১. জানাযার অনুগমন করতে, ২. রুগ্ন ব্যক্তির খোঁজ-খবর নিতে, ৩. দা'ওয়াত দাতার দা'ওয়াত গ্রহণ করতে, ৪. মাযলূমকে সাহায্য করতে, ৫. কসম হতে দায়মুক্ত করতে, ৬. সালামের জবাব দিতে এবং ৭. হাঁচিদাতাকে (ইয়ারহামুকাল্লাহু বলে) সন্তুস্ট করতে। আর তিনি নিষেধ করেছেন- ১. রৌপ্যের পাত্র [১] ,২. স্বর্ণের আংটি, ৩. রেশম, ৪. দীবাজ, ৫. কাস্‌সী (কেস্‌ রেশম), ৬. ইস্‌তিব্‌রাক (তসর জাতীয় রেশম) [২] ব্যবহার করতে। [৩]


সহিহ বুখারী অঃ->বিয়ে-শাদী বাব->ওয়ালীমার দাওয়াত গ্রহণ করা কর্তব্য। যদি কেউ একাধারে সাত দিন অথবা অনুরূপ অধিক দিন ওয়ালীমার ব্যবস্থা করে। হাঃ-৫১৭৫

বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সাতটি কাজ করতে বলেছেন এবং সাতটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদেরকে রোগীর সেবা করার, জানাযায় অংশগ্রহণ করার, হাঁচি দিলে তার জবাব দেয়ার, কসম পুরা করায় সহযোগিতা করার, মজলুমকে সাহায্য করার, সালামের বিস্তার করার এবং কেউ দাওয়াত দিলে তা কবূল করার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া তিনি আমাদের নিষেধ করেছেন স্বর্ণের আংটি পরতে, রুপার পাত্র ব্যবহার করতে, ঘোড়ার পিঠের ওপরে রেশমী গদি ব্যবহার করতে এবং ‘কাস্‌সিয়া’ বা পাতলা রেশমী কাপড় এবং দ্বিবাজ ব্যবহার করতে। আবূ ‘আওয়ানাহ এবং শায়বানী আশ্‌আস সূত্রে সালামের বিস্তারের কথা সমর্থন করে বর্ণনা করেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৭)


সহিহ বুখারী অঃ->পানীয় দ্রব্যসমূহ বাব->স্বর্ণ ও রৌপ্য পাত্রে পানি পান করা। হাঃ-৫৬৩৫

বারা’ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাতটি বিষয়ের হুকুম দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের হুকুম দিয়েছেনঃ রোগীর সেবা শুশ্রুষা করতে, জানাযার পেছনে যেতে, হাঁচি প্রদানকারীর জবাব দিতে, দাওয়াতদাতার দাওয়াত গ্রহণ করতে, সালামের প্রসার ঘটাতে, অত্যাচারিতকে সাহায্য করতে এবং শপথকারীকে শপথ রক্ষার সুযোগ করে দিতে। আর আমাদের তিনি নিষেধ করেছেনঃ স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করতে, কিংবা তিনি বলেছেন, রৌপ্য পাত্রে পানি পান করতে, মায়াসির অর্থাৎ এক প্রকার নরম ও মসৃণ রেশমী কাপড় কালসী অর্থাৎ রেশম মিশ্রিত কাপড় ব্যবহার করতে এবং পাতলা কিংবা মোটা এবং অলঙ্কার খচিত রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে। [১২৩৯; মুসলিম ৩৭/১, হাঃ ২০৬৬, আহমাদ ১৮৫৩০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২০)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->স্বর্ণের আংটি হাঃ-৫৮৬৩

বারা’আ ইবনু ‘আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাতটি জিনিস থেকে নিষেধ করেছেনঃ স্বর্ণের আংটি বা তিনি বলেছেন, স্বর্ণের বলয়, মিহি রেশম, মোটা রেশম ও রেশম মিশ্রিত কাপড়, রেশম এর তৈরী লাল রঙের হাওদা, রেশম মিশ্রিত কিস্‌সী কাপড় ও রৌপ্য পাত্র। আর তিনি আমাদের সাতটি কাজের নির্দেশ দিয়েছেনঃ রোগীর শুশ্রূষা, জানাযার অনুসরণ করা, হাঁচির উত্তর দেয়া, সালামের জবাব দেয়া, দা’ওয়াত গ্রহণ করা, শপথকারীর শপথ পূরণে সাহায্য করা এবং মাযলূম ব্যক্তির সাহায্য করা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৩২)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->হাঁচিদাতা ‘আল্‌হামদু লিল্লাহ্‌’ বললে তার জবাব দেয়া। হাঃ-৬২২২

বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাতটি কাজের নির্দেশ প্রদান করেছেন এবং সাতটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন। রোগীর সেবা-শুশ্রুষা করতে, জানাযার সঙ্গে চলতে, হাঁচিদাতার জবাব দিতে, দা’ওয়াত কবূল করতে, সালামের জওয়াব দিতে, মাযলূমকে সাহায্য করতে এবং শপথ পুরা করতে আমাদের আদেশ দিয়েছেন। আর সোনার আংটি অথবা বালা ব্যবহার করতে, সাধারণ রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে, মিহিন রেশমী বস্ত্র, রেশমী যিন ব্যবহার করতে, কাসীই ব্যবহার করতে এবং রৌপ্য পাত্র ব্যবহার করতে আমাদের নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৭৬)


সহিহ বুখারী অঃ->অনুমতি চাওয়া বাব->সালামের বিস্তারণ। হাঃ-৬২৩৫

বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন সাতটি কাজেরঃ রোগীর খোঁজ-খবর নেয়া, জানাযার সঙ্গে যাওয়া, হাঁচি দাতার জন্য দু’আ করা, দুর্বলকে সাহায্য করা, মাযলূমের সাহায্য করা, সালাম প্রসার করা এবং কসমকারীর কসম পূর্ণ করা। আর নিষেধ করেছেন (সাতটি কাজ থেকে): রূপার পাত্রে পানাহার, স্বর্ণের আংটি পরিধান, রেশমী যিনের উপর সাওয়ার হওয়া, মিহিন রেশমী বস্ত্র পরিধান, পাতলা রেশম বস্ত্র ব্যবহার, রেশম মিশ্রিত কাতান বস্ত্র পরিধান এবং গাঢ় রেশমী বস্ত্র পরিধান করা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৮৮)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->শিষ্টাচার বাব->পুরুষের জন্য হলুদ রঙের কাপড় এবং রেশমী কাপড় পরা নিষেধ হাঃ-২৮০৯

বারাআ ইবনু ‘আযিব (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সাতটি কাজ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন এবং সাতটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদেরকে জানাযার অনুসরণ করতে, রোগীর খোঁজ-খবর নিতে, হাঁচিদাতার জবাব দিতে, দাওয়াতকারীর দাওয়াত গ্রহণ করতে, মযলিমের সাহায্য করতে, প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করতে এবং সালামের উত্তর দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আর তিনি সাতটি কাজ হতে আমাদের বারণ করেছেঃ সোনার আংটি বা শাখা, রুপার পাত্র ব্যবহার করতে, রশমী বস্ত্র, মিহী রেশমী কাপড়, মোটা রেশমী কাপড়, কাসসী কাপড় পরিধান করতে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আশ’আস ইবনু সুলাইম হলেন আশ’আস ইবনু আবীশ শা’সা। আবুশ্ শা’মার নাম সুলাইম ইবনুল আসওয়াদ।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->জানাযার পিছু পিছু যাওয়ার নির্দেশ হাঃ-১৯৩৯

বারা ইব্‌ন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাতটি কাজের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সাতটি কাজ থেকে বারণ করেছেন, অসুস্থের হাঁচি দাতার উত্তরে (আরবী) বলার, শপথ পূরণে সহায়তার, অত্যাচারিতের সাহায্য করার, সালাম বিস্তারের, আমন্ত্রণকারীর আমন্ত্রন গ্রহণ করার এবং জানাযার পিছু পিছু গমন করার তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন আর তিনি স্বর্ণের আংটি পরিধান, রৌপ্য পাত্র ব্যবহার, রেশম নির্মিত গদী ব্যবহার, কসি (এক প্রকার মিসরীয় কাপড়) নির্মিত কাপড় পরিধান, রেশমী মোটা কাপড় ব্যবহার এবং রেশম ও দীবাজ (এক প্রকার রেশমী পোষাক) ব্যবহার থেকে আমাদের নিষেধ করেছেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->শপথ পূর্ণ করা হাঃ-৩৭৭৮

বারা ইব্‌ন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সাতটি কাজের আদেশ দিয়েছেনঃ জানাযার অনুগমন করার, রোগীকে দেখতে যাওয়ার, হাঁচির উত্তর দেয়ার, আমন্ত্রণ গ্রহণ করার, মযলূমের সাহায্য করার, কসম পূর্ণ করার এবং সালামের উত্তর দেয়ার।