আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বাইতুল মাকদাসে ভ্রমণ করানো হয়, সে রাতে তাঁর সামনে দু’টি পেয়ালা রাখা হয়েছিল। তার একটিতে ছিল শরাব এবং আরেকটিতে ছিল দুধ। তিনি উভয়টির দিকে তাকালেন এবং দুধ বেছে নিলেন। তখন জিবরীল (‘আ.) বললেন, সমস্ত প্রশংসা সে আল্লাহ্র, যিনি আপনাকে স্বাভাবিক পথ দেখিয়েছেন। যদি আপনি শরাব বেছে নিতেন, তাহলে আপনার উম্মাত অবাধ্য হয়ে যেত। [৩৩৯৪] (আ.প্র. ৪৩৪৮, ই.ফা. ৪৩৪৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইস্রা (মি’রাজের) রাতে ঈলিয়া নামক স্থানে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্মুখে শরাব ও দুধের দু’টি পেয়ালা পেশ করা হল। তিনি উভয়টির প্রতি লক্ষ্য করলেন। এরপর দুধের পেয়ালাটি গ্রহণ করলেন। তখন জিব্রীল (‘আঃ) বললেনঃ যাবতীয় প্রশংসা সেই আল্লাহ্র জন্য যিনি আপনাকে স্বভাবজাত দ্রব্যের দিকে পথ প্রদর্শন করেছেন। অথচ যদি আপনি শরাব গ্রহণ করতেন তাহলে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হয়ে যেত। [৪৮] যুহরী (রহঃ) থেকে মা’মার, ইবনু হাদী, ‘উসমান ইবনু ‘উমর ও যুবায়দী এরকম বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬৩)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মি’রাজের রাত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট দুধ এবং শরাব উপস্থিত করা হলে, তিনি দুধকেই গ্রহণ করলেন। জিবরাঈল (আঃ) তাঁকে বললেনঃ আল্লাহ্র শোকর যে, তিনি আপনাকে ফিতরাতে বা স্বভাব ধর্মের প্রতি হিদায়াত দান করেছেন। যদি আপনি মদের পাত্র গ্রহণ করতেন, তবে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হতো।