সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ হাঃ-৫১২২

ইয়াহ্‌ইয়া বাহরানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মানুষেরা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে নাবীযের ব্যাপারে আলোচনা করলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর জন্য মশকে নাবীয প্রস্তত করা হতো। শু‘বাহ্‌ বলেন, সোমবারের রজনীতে (অর্থাৎ রোববার দিবাগত রাতে) তিনি তা সোমবার দিন ও মঙ্গলবার ‘আস্‌র পর্যন্ত পান করতেন। এরপরও কিছু বাকী থাকলে তিনি সেটা খাদিমকে পান করাতেন বা ফেলে দিতেন।(ই.ফা. ৫০৫৭, ই.সে. ৫০৬৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পানীয় ও পানপাত্র বাব->নাবীয বানানো এবং তা পান করা হাঃ-৩৩৯৯

ইবনু আব্বাস (রাঃ), থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য নাবীয তৈরি করা হতো এবং তিনি তা ঐদিন অথবা পরের দিন সকাল অথবা তৃতীয় দিন পর্যন্ত পান করতেন। পান করার পর এর কিছু অংশ অবশিষ্ট থাকলে তিনি তা ঢেলে ফেলে দিতেন অথবা ঢেলে ফেলার নির্দেশ দিতেন। [৩৩৯৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিভিন্ন প্রকার পানীয় [ও তার বিধান] বাব->যে সব নাবীয পান করা জায়েয আর যেসব নাবীয পান করা নাজায়েয, সে সম্পর্কে হাঃ-৫৭৩৯

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জন্য রাতে মুনাক্কা ভিজিয়ে রাখা হতো। পরে তিনি তা একটি মশকে ভরে রাখতেন এবং দ্বিতীয় দিন তা পান করতেন, পরে তৃতীয় দিনেও পান করতেন। তৃতীয় দিন শেষ সময়ে তিনি তা অন্যদেরকে পান করিয়ে দিতেন এবং নিজেও পান করতেন। যদি তারপরেও ভোর পযন্ত কিছু থাকতো, তবে তিনি তা ঢেলে ফেলে দিতেন।