সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বানীঃ তোমরা নম্র হও, কঠোর হয়ো না। হাঃ-৬১২৪

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে আর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) -কে (ইয়ামানে) পাঠান, তখন তাদের ওয়াসীয়াত করেনঃ তোমরা (লোকের সাথে) নম্র ব্যবহার করবে, কঠোর হবে না। শুভ সংবাদ দেবে, বিদ্বেষ সৃষ্টি করবে না। আর তোমরা দু’জনের মধ্যে সদ্ভাব বজায় রাখবে। তখন আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা এমন এক দেশে যাচ্ছি, যেখানে মধু হতে শরাব প্রস্তুত হয়। একে ‘বিত্‌উ’ বলা হয়। আর ‘যব’ থেকেও শরাব প্রস্তুত হয়, তাকে বলা হয় ‘মিয্‌র’। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ প্রত্যেক নেশার বস্তুই হারাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮২)


সহিহ বুখারী অঃ->আহকাম বাব->দু’জন আমীরের প্রতি শাসনকর্তার আদেশ, যখন তাদেরকে কোন জায়গার দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয় যেন তারা পরস্পরকে মান্য করে, বিরোধিতা না করে। হাঃ-৭১৭২

আবূ বুরদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পিতা ও মু‘আয ইব্‌নু জাবালকে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা সহজ করো, কঠোর করো না (১৭৬) , তাদের সুসংবাদ দাও, ভয় দেখায়ও না এবং পরস্পর পরস্পরকে মেনে চলো। তখন আবূ মূসা (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমাদের দেশে ‘বিত্’ নামীয় এক ধরণের পানীয় প্রস্তুত করা হয়। জওয়াবে তিনি বললেনঃ প্রত্যেক নেশা সৃষ্টিকারী বস্তুই হারাম। নাযর, আবূ দাঊদ, ইয়াযিদ ইব্‌নু হারুন, ওকী (রহঃ)...... সা‘ঈদ- এর দাদা আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৮৪)