ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুব্বা, হান্তাম, মুযাফ্ফাত ও নাকীর হতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৫০১০, ই.সে ৫০২০)
সা’ঈদ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ‘উমার ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সম্পর্কে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তাঁরা দু’জনেই সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুব্বা, হানতাম, মুযাফফাত ও নাকীর (এ নাবীয বানানো) হতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৫০১৭, ই.সে. ৫০২৭)
ইবনু ‘আব্বাস ও ইবনু ‘উমার (রাঃ)–এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়ে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন দুব্বা, হানতাম, মুযাফ্ফাত ও নাকীর পাত্রগুলো ব্যবহার করতে।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কদুর খোলে, হানতাম, মুযাফ্ফাত এবং নকীরে পানীয় তৈরি করতে এবং আধাপাকা ও হলদে হয়ে ওঠা খেজুর মিশাতে নিষেধ করেছেন।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কদুর খোল, মুযাফ্ফাত এবং কাঠের পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন, আর তিনি খেজুরকে কিশমিশের সাথে এবং কাঁচা খেজুরকে শুকনো খেজুরের সাথে মিশাতে নিষেধ করেছেন।