সহিহ মুসলিম অঃ->জানাযা সম্পর্কিত বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মাতার ক্ববর যিয়ারাতের জন্য আল্লাহর নিকট অনুমতি চাওয়া সম্পর্কে হাঃ-২১৫০

ইবনু বুয়ায়দাহ্ (রহঃ) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি [বুরায়দাহ্ ইবনু হুসায়ব ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)] বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি তোমাদেরকে ক্ববর যিয়ারাত করতে নিষেধ করতাম। (এখন অনুমুতি দিচ্ছি) তোমরা ক্ববর যিয়ারাত করতে পার। আমি ইতোপূর্বে তিনদিনের বেশি কুরবানী গোশ্ত রাখার ব্যাপারে তোমাদেরকে নিষেধ করতাম। এখন তোমাদের যতদিন ইচ্ছা রাখতে পার। এছাড়া আমি তোমাদেরকে পানির পাত্রে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা যে কোন পানির পাত্রে তা তৈরি করতে পার। তবে নেশার বস্তু (মাদকদ্রব্য) পান করো না। (ই.ফা. ২১২৯, ই.সে. ২১৩২)


সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->মুযাফ্‌ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা হাঃ-৫১০২

বুরাইদাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে চর্ম নির্মিত পাত্র ব্যতীত অন্য সব পাত্রেই নাবীয প্রস্তুত করা হতে বারণ করেছিলাম। এখন তোমরা সব ধরণের পাত্রেই নাবীয প্রস্তুত করে পান করতে পারো। কিন্তু, নেশা জাতীয় নাবীয পান করো না। [দ্রষ্টব্য হাদীস ২২৬] (ই. ফা. ৫০৩৭, ই. সে. ৫০৪৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->কবর যিয়ারত করা হাঃ-২০৩২

আব্দুল্লাহ এর পিতা বুয়ায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি তোমাদের কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা কবর যিয়ারত কর। আর আমি তোমাদের তিন দিনের অধিক কুরবানীর গোশত সংরক্ষন করতে বারণ করেছিলাম। এখন তোমরা যতদিন ইচ্ছা সংরক্ষণ করতে পার। আর আমি তোমাদের মশক্ ভিন্ন অন্য কোন পাত্রে নবীয (খুরমা ভিজানো পানি) রাখতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা যে কোন পাত্রে রেখে তা পান করতে পার। হ্যাঁ নেশাদায়ক হলে পান করবে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->কুরবানী বাব->কুরবানী এর অনুমতি প্রসঙ্গে হাঃ-৪৪৩০

বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে নিষেধ করেছিলাম তিন দিনের পর কুরবানীর গোশত খেতে; আর মশক ব্যতীত অন্য পাত্রে নবীয তৈরি করতে এবং কবর যিয়ারত করতে। এখন তোমরা কুরবানীর গোশত খেতে পার যত দিন ইচ্ছা এবং সফরে তা পাথেয় হিসেবে নিতে পার এবং তা জমা করে রাখতে পার। আর যে কবর যিয়ারত করতে ইচ্ছা করে, সে যিয়ারত করবে। কেননা তা পরকালকে স্মরণ করিয়ে দেয়। আর তোমরা (যে কোন পাত্রে) পান করবে, কিন্তু প্রত্যেক নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে বেঁচে থাকবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিভিন্ন প্রকার পানীয় [ও তার বিধান] বাব->যে যে পাত্রে অনুমতি দেয়া হয়েছে হাঃ-৫৬৫২

বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম; কিন্তু এখন তোমরা কবর যিয়ারত করতে পার। আর আমি তোমাদেরকে তিন দিনের অধিক কুরবানীর গোশত রাখতে নিষেধ করেছিলাম; এখন তোমাদের যতদিন ইচ্ছা গোশত রাখতে পার। আমি তোমাদেরকে মশক ব্যতীত অন্য পাত্রে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা সকল পাত্রেই নাবীয তৈরি করে পান করতে পার, কিন্তু মাদকদ্রব্য পান করবে না।