সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->কী পরিমাণ কুরবানীর গোশত ভক্ষণ করবে এবং কী পরিমাণ সদাকাহ করবে? হাঃ-১৭১৯

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা আমাদের কুরবানীর গোশ্‌ত মিনা’র তিন দিনের বেশি খেতাম না। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের অনুমতি দিলেন এবং বললেনঃ খাও এবং সঞ্চয় করে রাখ। তাই আমরা খেলাম এবং সঞ্চয়ও করলাম। রাবী বলেন, আমি ‘আত্বা (রহঃ)-কে বললাম, জাবির (রাঃ) কি বলেছেন আমরা মদীনায় আসা পর্যন্ত? তিনি বললেন, না। (২৯৮০,৫৪২৪,৫৫৬৭, মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ১৯৭২, আহমাদ ১৪৪১৯) (আঃপ্রঃ ১৬০১, ইঃফাঃ ১৬০৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->কুরবানী বাব->ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা হাঃ-৪৯৯৯

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মিনায় তিনদিনের বেশি কুরবানীর গোশ্‌ত খেতাম না। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুমতি দিয়ে বললেনঃ তোমরা খেতে পার এবং অতিরিক্ত হিসেবে জমাও রাখতে পার। (ইবনু জুরায়জ বলেন) আমি ‘আতাকে বললাম, জাবির (রাঃ) কি ‘মাদীনায় আগমন করা পর্যন্ত’ কথাটি বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই.ফা. ৪৯৪৪, ই.সে. ৪৯৪৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->কুরবানী বাব->কুরবানী এর অনুমতি প্রসঙ্গে হাঃ-৪৪২৬

জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন দিন পরেও কুরবানীর গোশত খেতে নিষেধ করেছিলেন। পরে তিনি বলেনঃ তোমরা খাও অথবা তা দ্বারা উপকৃত হও অথবা জমা করে রাখ।