শু’বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন এতে ..... আরবী ..... .. তিনি “‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদের গৃহের দিকে ইশারা করলেন, কিন্তু আমাদের সম্মুখে তার নাম উল্লেখ করেননি” কথা গুলো বর্ধিত রয়েছে। (ই.ফা. ১৫৭; ই.সে. ১৬৩)
মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার ও শু’বাহ্ থেকে বর্নিতঃ
ইয়াযীদ থেকে একই সানাদে অনুরুপ হাদীস বর্ননা করেছেন। তবে ইয়াযীদ তার বর্ননায় “মা-শা-আল্ল-হু” (আল্লাহ যা চান) কথাটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ১৫৩৪, ই.সে. ১৫৪১)
শু‘বাহ্-এর মাধ্যমে আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে মানসূর (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি পূর্ণাঙ্গ ও বেশী স্পষ্ট। (ই.ফা. ১৬৪৮, ই.সে. ১৬৫৫)
মানসূর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা.১৭৪৯, ই.সে.১৭৫৬)
ইবনু ইয়া’লা (রা.)-এর সূত্রে নাবী (সঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ইয়া’লা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২২০, ই.সে. ৪২২০)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রিওয়ায়াতে ‘হাবশী গোলাম’ শব্দটি আছে। (ই.ফা. ৪৬০৭, ই.সে. ৪৬০৯)
মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার ও ‘আবদুর রহমান ইবনু মাহ্দী উভয়ে শু’বাহ্ থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত ধারাবাহিকতায় উপরের হাদীসের অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. নেই, ই.সে. ৪৯০৪)
শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯০৮, ই.সে. ৪৯১২)
আবূ দাউদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, শু’বাহ (রহঃ) উল্লেখিত সূত্রে আমাদের কাছে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫০৩১, ই.সে. ৫০৪১)
‘আলা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আলা (রহঃ) হতে এ সূ্ত্রে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৭৩৪৪, ই.সে. ৬৮০০)
সিমাক (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল বর্ণনা করেছেন। সিমাক (রহঃ)বলেন, আমি আমার ভাইকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, জাবির (রাঃ)বলেছেন, তোমরা তাদের থেকে সতর্ক থাকবে। (ই.ফা. ৭০৭৭, ই.সে. ৭১৩১)