যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। সালিহ এর বর্ণনায় আরো অতিরিক্ত আছেঃ “এরপর ওফাত পর্যন্ত তিনি সহাবাদের নিয়ে আর সলাত আদায়ের সুযোগ পাননি।” (ই.ফা. ৯১৬, ই.সে. ৯২৮)
যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাসীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৯১৮, ই.সে. ৯৩০)
আবুত্ ত্বহির, হারমালাহ্, ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সবাই যুহরী থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়ে (ইবনু ইউসুফ ও মা‘মার) “এক বছর অথবা দু’বছর পূর্বে” কথাটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ১৫৮৩, ই.সে. ১৫৯০)
যুহরী (রাঃ) থেকে সালিহ (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৩০২, ই.সে. ২৩০৩)
যুহরী (রহঃ) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রহঃ) সূত্রে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৩৯৮৬, ই. সে. ৩৯৮৫)
উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। তবে ইউনুস ও মা’মার (রহঃ)- এর বর্ণনায় ((আরবী)) এবং লায়স ও ইবনু ‘উয়াইনাহ্ (রহঃ)- এর বর্ণনায় ((আরবী)) এবং মুহাম্মাদ ইবনু নু‘মান ও হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান থেকে লায়স এর বর্ণনায় “বাশীর নু‘মানকে সাথে নিয়ে আসে” বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৪০৩৪, ই.সে. ৪০৩৩)
আবূ তাহির ও হারমালাহ্, 'আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব, ইবনু লায়স, ইবনু আবূ 'উমার 'আব্দ ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সকলেই যুহরী (রহঃ) সূত্রে উক্ত সানাদে 'আম্র ইবনু হারিস এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪০৬২, ই. সে. ৪০৬১)
কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ তাহির, হারমালাহ্, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম ও 'আব্দ হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সকলেই যুহরীর সূত্রে উক্ত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪০৬৪, ই. সে. ৪০৬৩)
‘আব্দ ইবনু হুমায়দ ও ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ, ‘আমর আন্ নাকিদ, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া, ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ ও ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) সবাই যুহরী (রহঃ)- এর সূত্রে লায়স (রহঃ)- এর বর্ণিত সানাদের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪০৯০, ই.সে. ৪০৮৯)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৫২, ই. সে. ৪২৫২)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রহঃ) হতে একই সুত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৮৭, ই. সে. ৪২৮৮)
উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৩২৭, ই.সে. ৫৩৪৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ তাহির (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) -এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে (পূর্বোক্ত) ‘উকায়ল (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে (দ্বিতীয় সানাদে) সুফ্ইয়ান (রহঃ) ও (প্রথম সূত্রে) ইউনুস (রহঃ)-এর হাদীসে ‘আল হাব্বাতুস্ সাওদা রয়েছে। (তার বিশ্লেষণে) তিনি ‘শূণীয’ শব্দটি বলেননি। (ই. ফা. ৫৫৭৬, ই. সে. ৫৬০২)
যুহরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রাঃ) থেকে সকলেই মালিক-এর সানাদে ও তাঁর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তাঁর বক্তব্য (আরবী) (সেও মুখ ফিরিয়ে নিল এবং তিনিও মুখ ফিরিয়ে নিলেন) এর পরিবর্তে মালিক ব্যতীত তাঁদের সকলেই বর্ণনা করেন (আরবী) (তিনিও বিরত থাকলেন, সেও বিরত থাকল) (ই.ফা. ৬৩০১, ই.সে. ৬৩৫১)