সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->স্বল্প পরিমাণ গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা। হাঃ-৩০৭৪

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাহারা দেয়ার জন্য এক ব্যক্তি নিযুক্ত ছিল। তাকে কার্‌কারা নামে ডাকা হত। সে মারা গেল। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে জাহান্নামী! লোকেরা তাকে দেখতে গেল আর তারা একটি আবা পেল যা সে আত্মসাত করেছিল। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, ইব্‌নু সালাম (রহঃ) বলেছেন, কারকারা।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা হাঃ-২৮৪৯

আবদুল্লাহ বিন আমর(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কিরকিরা নামক এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মালপত্র পাহারা দেয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। সে মারা গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সে জাহান্নামী। সাহাবীগন অনুসন্ধান করে তার সঙ্গে একটি কম্বল অথবা একটি আবা পেলো যা সে আত্মসাৎ করেছিল। [২৮৪৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->জিহাদ বাব->যে ব্যক্তি বীর উপাধি অর্জনের জন্য যুদ্ধ করে হাঃ-৩১৩৭

সুলায়মান ইবন্ ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লোক আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে পৃথক হওয়ার পর সিরিয়ার (নাতিল নামক) এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, হে শায়খ! আপনি রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লালাহু আলাইহিস্ সাল্লাম) থেকে শুনেছেন, এমন একটি হাদিস আমার কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: লোকের মধ্যে কিয়ামতের দিন প্রথম (দিকে) যাদের বিচার করা হবে, তারা হবে তিন শ্রেণির লোক। প্রথমতঃ সে ব্যক্তি যে শহীদ হয়েছে তাকে আনা হবে, আল্লাহ্‌ তা‘আলা তাকে তাঁর নিআমতসমুহ স্মরণ করাবেন; সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলবেন, এসব নিআমত ভোগ করে তুমি কী আমল করেছ? সে ব্যক্তি বলবেঃ আমি তোমার সন্তুষ্টির জন্য লড়াই করে শহীদ হয়েছি। তিনি (আল্লাহ্‌) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি যুদ্ধ করেছিলে এই জন্য, যেন বলা হয় অমুক ব্যক্তি বাহাদুর; তা বলা হয়েছে। তার সম্পর্কে আদেশ করা হবে, ফলে তাকে তার মুখের উপর (অধঃমুখে) হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আর এক ব্যক্তি ইল্‌ম শিক্ষা করেছে এবং লোকদেরকে শিক্ষা দান করেছে এবং কুরআন পাঠ করেছে। তাকে আনা হবে, তাকে তাঁর নিআমতসমুহ স্মরণ করাবেন, সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলা হবেঃ এর জন্য তুমি কী আমল করেছ? সে বলবেঃ আমি ইল্‌ম শিক্ষা করেছি, অন্যকেও শিক্ষা দিয়েছি, আর তোমার সন্তুষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করেছি। তিনি (আল্লাহ্‌ তা‘আলা) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি ইল্‌ম শিক্ষা করেছিলে এজন্য যেন তোমাকে আলিম বলা হয়। আর কুরআন পাঠ করেছিলে, যেন তোমাকে কারী বলা হয়; তা বলা হয়েছে। এরপর তার সম্বন্ধে আদেশ করা হবে, আর তাকে মুখের উপর হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আর এক ব্যক্তি আল্লাহ্‌ যাকে প্রশস্ততা (সম্পদ) দান করেছিলেন এবং সর্বপ্রকার মাল দান করেছিলেন, তাকে আনা হবে। তাকে তাঁর নিআমত সম্বন্ধে অবহিত করা হবে, সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলা হবেঃ এর জন্য তুমি কী আমল করেছ? সে বলবেঃ আমি তোমার পছন্দনীয় কোনো রাস্তাই ছাড়িনি, তোমার সন্তুষ্টির জন্য যাতে ব্যয় করিনি। তিনি (আল্লাহ্‌ তা‘আলা) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি এজন্যই ব্যয় করেছ, যাতে দাতা বলা হয়। তা বলা হয়েছে। এরপর তার সম্পর্কে আদেশ করা হবে, তাকে তার মুখ নিচের দিকে করে হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।