সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->ঘোড়ার কপালের কেশদামে কল্যাণ বিধিবদ্ধ আছে কেয়ামত অবধি। হাঃ-২৮৪৯

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কল্যাণ আছে কিয়ামত অবধি।


সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->ঘোড়ার কপালের কেশদামে কল্যাণ বিধিবদ্ধ আছে কেয়ামত অবধি। হাঃ-২৮৫০

‘উরওয়াহ ইব্‌নু জা’দ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কেয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ আছে। সুলাইমান (রহঃ) শুবা (রহঃ) সূত্রে ‘উরওয়াহ ইব্‌নু আবুল জা’দ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। হাদীস বর্ণনায় সুলাইমান (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন মুসাদ্দাদ (রহঃ)......উরওয়া ইব্‌নু আবু জা’দ (রহঃ) হতে।


সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->জিহাদ চলতে থাকবে সৎ বা অসৎ লোকের নেতৃত্বে। হাঃ-২৮৫২

‘উরওয়াহ বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশ গুচ্ছে কল্যাণ রয়েছে কিয়ামত পর্যন্ত। অর্থাৎ (আখিরাতের) পুরষ্কার এবং গনীমতের মাল।


সহিহ বুখারী অঃ->খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণীঃ তোমাদের জন্য গনীমতের মাল হালাল করা হয়েছে। হাঃ-৩১১৯

‘উরওয়াহ আল-বারেকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের উপরিভাগের কেশদামে আছে কল্যাণ, সওয়াব ও গনীমত কিয়ামত অবধি।


সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->৬১/২৮. অধ্যায়ঃ হাঃ-৩৬৪২

‘উরওয়া বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি বকরী কিনে দেয়ার জন্য তাকে একটি দিনার দিলেন। তিনি ঐ দীনার দিয়ে দু’টি বকরী কিনলেন। অতঃপর এক দীনার মূল্যে একটি বকরী বিক্রি করে দিলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে একটি বকরী ও একটি দীনার নিয়ে উপস্থিত হলেন। তা দেখে তিনি তার ব্যবসা বাণিজ্যে বরকত হবার জন্য দু’আ করে দিলেন। অতঃপর তার অবস্থা এমন হল যে, ব্যবসার জন্য যদি মাটিও তিনি কিনতেন তাতেও তিনি লাভবান হতেন। এ হাদীসের একজন বর্ণনাকারী সুফিয়ান ইব্‌ন ‘উয়াইনাহ বলেন, হাসান ইব্‌ন ‘উমারাহ শাবীব ও ‘উরওয়ার বরাদ দিয়ে এ হাদীসটি আমাদেরকে বলেছেন। তারপর আমি শাবীবকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যে, আমি সরাসরি ‘উরওয়া থেকে শুনিনি। একটি গোত্র ‘উরওয়ার বরাত দিয়ে আমাকে হাদীস বলেছেন। তবে ‘উরওয়ার থেকে আমি (অপর) একটি হাদীস শুনেছি। (আ.প্র. ৩৩৭১ প্রথমাংশ, ই.ফা. ৩৩৭৮ প্রথমাংশ)


সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->৬১/২৮. অধ্যায়ঃ হাঃ-৩৬৪৩

‘উরওয়া বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আর তা হলো এইঃ ‘উরওয়া বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, ঘোড়ার কপালের কেশদামে বরকত ও কল্যাণ আছে ক্বিয়ামাত অবধি। রাবী বলেন, আমি তার গৃহে সত্তরটি ঘোড়া দেখেছি। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য যে বকরীটি কেনা হয়েছিল তা ছিল কুরবানীর জন্য। (২৮৫০) (আ.প্র. ৩৩৭১ শেষাংশ, ই.ফা. ৩৩৭৮ শেষাংশ)


সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->৬১/২৮. অধ্যায়ঃ হাঃ-৩৬৪৪

ইব্‌ন ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ঘোড়ার কপালের কেশদামে কিয়ামত অবধি কল্যাণ ও বরকত আছে। (২৮৪৯) (আ.প্র. ৩৩৭২, ই.ফা. ৩৩৭৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ঘোড়ার কপালে কিয়ামাত পর্যন্ত কল্যাণ থাকবে হাঃ-৪৭৩৯

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়ার ললাটে কল্যাণ কিয়ামত পর্যন্ত নিহিত থাকবে। (ই.ফা. ৪৬৯২, ই.সে. ৪৬৯৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ঘোড়ার কপালে কিয়ামাত পর্যন্ত কল্যাণ থাকবে হাঃ-৪৭৪৩

‘উরাওয়াহ আল বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়ার ললাটে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত কল্যাণ নিহিত আছে। আর তা হল প্রতিদান ও গনীমাত। (ই.ফা. ৪৬৯৬, ই.সে. ৪৬৯৭)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ব্যবসা-বাণিজ্য বাব->গবাদি পশু পালন হাঃ-২৩০৫

উরওয়াহ আল-বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উরওয়াহ আল-বারিকী (রাঃ) থেকে মারফূ হাদীসরূপে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ উট তার মালিকের জন্য গৌরবের ধন, ছাগল-ভেড়া হলো বরকতপূর্ণ সম্পত্তি এবং কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ যুক্ত রয়েছে। [২৩০৫]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->আল্লাহর পথে (জিহাদের উদ্দেশে) ঘোড়া প্রতিপালন হাঃ-২৭৮৬

উরওয়াহ আল-বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়ার কপালে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ ও প্রাচুর্য বাঁধা থাকবে। [২৭৮৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->আল্লাহর পথে (জিহাদের উদ্দেশে) ঘোড়া প্রতিপালন হাঃ-২৭৮৭

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ ও প্রাচুর্য যুক্ত থাকবে। [২৭৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->জিহাদ বাব->ঘোড়ার মর্যাদা হাঃ-১৬৯৪

উরওয়া আল-বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ বাঁধা রয়েছেঃ পুরস্কার ও গানীমাত। সহীহ্‌, নাসা-ঈ


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭২

জারির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি রাসূলুল্লাহ্ (সালল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দেখেছি, তিনি ঘোড়ার ললাটের চুল তাঁর দুই আঙ্গুল দিয়ে বানিয়ে দিতেন এবং বলতেনঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার মাথায় খায়ের-বরকত বাঁধা থাকবে, আর সে খায়ের-বরকত হলো সওয়াব এবং গনীমত।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭৩

ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ঘোড়ার ললাটে কিয়ামত পর্যন্ত খায়ের-বরকত নিবদ্ধ থাকবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭৪

উরওয়া বারিকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়ার ললাটে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ ও মঙ্গল নিবদ্ধ থাকবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭৫

উরওয়া ইবন আবূ জা‘আদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেনঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার ললাটে মঙ্গল ও কল্যাণ নিবদ্ধ থাকবে, আর তা হলো সওয়াব ও গনীমত।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭৬

উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার ললাটে খায়ের-বরকত নিবদ্ধ থাকবে, আর তা হলো সওয়াব ও গনীমত।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->ঘোড়ার ললাটের চুল বানিয়ে দেওয়া হাঃ-৩৫৭৭

উরওয়া ইব্‌ন আবূ জা‘আদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার ললাটে কল্যাণ ও মঙ্গল নিবদ্ধ থাকবে, আর তা হলো সওয়াব ও গনীমত।