‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ (একদিন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের ক্বিবলাতে কাশি বা শিকনি দেখতে পেলেন কথাটা উল্লেখিত হয়েছে। এরপর তারা মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১০৪, ই.সে ১১১৩)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনু মালিক (রহঃ) ও ইবনু জুরায়জের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে এবং একমাত্র ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ব্যতীত নাফি’ “ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি” কথাটি আর কেউ বলেননি। এ বর্ণনায় ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন। (ই.ফা. ২৭৪১, ই.সে. ২৭৪০)
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ্ শাইবাহ ইবনু ফার্রূখ, আবূ রাবী’ , আবূ কামিল, ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইসহাক্ ইবনু মানসূর, হারূন ইবনে সা’ঈদ আইলী ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ)... ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। মালিক (রহঃ) নাফি’( রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। (ই.ফা. ৩৬২৯, ই.সে. ৩৬২৯)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহায়র ইবনু হারব ও ‘আলী ইবনু হুজর এবং আবূ রাবী‘ ও আবূ কামিল (রহঃ)…ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে, ইবনুল মুসান্না ও ইবনু আবূ ‘উমার এবং ইবনু রাফি‘ (রহঃ)……. ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উপরে উল্লেখিত নাফি‘ থেকে মালিক এর বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা.৩৭১১,ই.সে. ৩৭১১)
ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উবাইদুল্লাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। আর তাঁরা সবাই এভাবে বলেছেন যে তার কাছে এমন সম্পদ আছে, যাতে সে ওয়াসিয়্যাত করতে পারে। কিন্তু আইয়ূব (রহঃ)- এর হাদীসে রয়েছে যে, তিনি বলেছেন, সে তাতে ওয়াসিয়্যাত করতে চায়। 'উবাইদুল্লাহ থেকে ইয়াহ্ইয়ার বর্ণনার মতই। ( ই. ফা. ৪০৬০, ই. সে. ৪০৫৯)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত মালিক (রাঃ)– এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাঁদের মধ্য থেকে কেউ কেউ (আরবী) (তার মূল্য) শব্দটি উল্লেখ করেছেন এবং কেউ কেউ (আরবী) (সেটার মূল্য তিন দিরহাম) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৪২৬০, ই.সে. ৪২৬০)
নাবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মালিক (রাঃ) –এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের হাদীসে (আরবী) রয়েছে। কিন্তু লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে “তাঁর খাদ্য সামগ্রী স্থানান্তর করে নিয়ে যায়” অংশটি মালিক (রাঃ) –এর বর্ণনার অনুরূপ বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৪৩৬৩, ই.সে. ৪৩৬৩)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৭৪, ই.সে. ৪৫৭৭)
নাফি’ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নাফি’ (রাঃ) সূত্রে ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) কর্তৃক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে গুইসাপ সম্পর্কে লায়স কর্তৃক নাফি’র মাধ্যমে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে আইয়ূব বর্ণিত হাদীসে আরো রয়েছে, ‘রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে গুইসাপের গোশ্ত নিয়ে আসা হলো। তিনি তা খাননি এবং হারামও বলেননি’। আর উসামাহ্ (রাঃ)-এর এক হাদীসে রয়েছে, ‘এক লোক মাসজিদে দাঁড়ালো, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারে বসা ছিলেন’। (ই.ফা. ৪৮৭৪, ই.সে. ৪৮৭৫)
উসামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁদের প্রত্যেকেই নাফি (রহঃ)-এর সনদে ইবনু উমার (রাঃ) হতে মালিক (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মালিক ও উসামাহ (রহঃ) ভিন্ন অন্য কেউ “কোন এক যুদ্ধে” কথাটি বর্ণনা করেন নি। (ই.ফা. ৫০২০, ই.সে. ৫০৩০)