সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->অমুকের মসজিদ বলা যায় কি? হাঃ-৪২০

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধের জন্যে তৈরি ঘোড়াকে ‘হাফয়া’ (নামক স্থান) হতে ‘সানিয়াতুল ওয়াদা’ পর্যন্ত দৌড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর যে ঘোড়া যুদ্ধের জন্যে তৈরি নয়, সে ঘোড়াকে ‘সানিয়া’ হতে যুরাইক গোত্রের মসজিদ পর্যন্ত দৌড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর এই প্রতিযোগিতায় ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) অগ্রগামী ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪০৯)


সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অশ্বেও দৌড় প্রতিযোগিতার সীমা। হাঃ-২৮৭০

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতা করিয়েছেন। এই প্রতিযোগিতা হাফয়া থেকে শুরু হত এবং সানিয়্যাতুল বিদায় শেষ হত। (রাবী আবূ ইসহাক (রহঃ) বলেন), আমি মূসা (রাঃ)-কে বললাম, এর দূরত্ব কী পরিমাণ হবে? তিনি বললেন, ছয় বা সাত মাইল। প্রশিক্ষণহীন ঘোড়ার প্রতিযোগিতা শুরু হতো সানিয়্যাতুল বিদা থেকে এবং শেষ হতো বনূ যুরাইকের মসজিদে। আমি বললাম, এর মধ্যে দূরত্ব কত? তিনি বললেন, এক মাইল বা তার তদ্রূপ। ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) এতে প্রতিযোগীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->কুরআন ও সুন্নাহ্‌কে দৃঢ়ভাবে ধারণ করা বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা বলেছেন এবং আলেমগণকে ঐক্যের ব্যাপারে যে উৎসাহ দান করেছেন। হাঃ-৭৩৩৬

‘আবদুল্লাহ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়দৌড়ের প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। ক্ষিপ্র গতির জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়াগুলোর প্রতিযোগিতার স্থান ছিল হাফয়া হতে সানীয়্যাতুল বিদ্যা পর্যন্ত। আর প্রশিক্ষণবিহীনগুলোর স্থান ছিল সানীয়্যাতুল বিদা হতে বনী যুরায়ক-এর মসজিদ পর্যন্ত। ‘আবদুল্লাহও প্রতিযোগীদের মধ্যে ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৩৬)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->জিহাদ বাব->দৌড় প্রতিযোগিতা হাঃ-২৫৭৫

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রা:) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাফিয়া থেকে সানিয়্যাতুল বিদা’ নামক উপত্যকা পর্যন্ত সীমা নির্দিষ্ট করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়াগুলোর মধ্যে দৌড় প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করলেন। আর প্রশিক্ষণহীন ঘোড়াগুলোর মধ্যে তিনি দৌড় প্রতিযোগিতা করান সানিয়্যাতুল বিদা’ হতে যুরাইক গোত্রের মাসজিদ পর্যন্ত। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) ছিলেন উক্ত প্রতিযোগিতার অন্যতম বিজয়ী।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->ঘোড় দৌড়ের বর্ণনা হাঃ-২৮৭৭

ইবনু ঊমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়াকে বিশেষ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দিলেন। বিশেষ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়ার দ্বারা তিনি আল-হাফয়া’ নামক স্থান থেকে সানিয়্যাতুল বিদা' পর্যন্ত ঘোড়দৌড়ের ব্যবস্থা করলেন। আর যেসব ঘোড়া প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিলো না সেগুলো দ্বারা সানিয়্যাতুল বিদা’ থেকে যুরায়ক মসজিদ পর্যন্ত (ঘোড়দৌড়ের ব্যবস্থা করেন)। [২৮৭৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->যে ঘোড়ার ইয্‌মার১ করা হয়নি, সে ঘোড়ার দৌড়ের শেষ প্রান্ত হাঃ-৩৫৮৩

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বলেনঃ রাসূলুলাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড় দৌড় করিয়েছেন। হাফ্‌য়া নামক স্থান হতে ঘোড়া ছেড়ে দেন যার শেষ সীমা ছিল সানিয়াতুল বিদা পর্যন্ত। আর তিনি যে ঘোড়ার ইয্‌মার করা হয়নি সেগুলোর দৌড় করিয়েছিলেন সানিয়া হতে বনী যুরায়ক মসজিদ পর্যন্ত।


সুনান নাসাঈ অঃ->ঘোড়া বাব->প্রতিযোগিতার জন্য ঘোড়াকে ইয্‌মার করা হাঃ-৩৫৮৪

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুলাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ সকল ঘোড়ার মধ্যে ঘোড়দৌড় করান, যেগুলোর ইয্‌মার করা হয়েছিল। আর তার সীমানা ছিল হাফ্‌য়া হতে সানিয়াতুল বিদা পর্যন্ত। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ সকল ঘোড়ার জন্য যাদের ইয্‌মার করা হয়নি, সানিয়া হতে বনী যুরায়কের মসজিদ পর্যন্ত দৌড়ের ব্যবস্থা করেন। আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)ঐ ঘোড়দৌড়ে শরীক ছিলেন।