সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->কুরআন শরীফ নিয়ে শত্রু দেশে সফর করা অপছন্দনীয়। হাঃ-২৯৯০

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন সঙ্গে নিয়ে শত্রু-দেশে সফর করতে নিষেধ করেছেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->কাফির জনপদে কুরআন মাজীদ নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ, যেখানে আশংকা থাকে তা তদের হাতে পতিত হওয়ার হাঃ-৪৭৩৩

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, শত্রু একালায় কুরআন মাজীদ নিয়ে ভ্রমণ করতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৪৬৮৬, ই.সে. ৪৬৮৮)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->জিহাদ বাব->কুরআন সাথে নিয়ে শত্রু এলাকায় সফর করা হাঃ-২৬১০

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন সাথে নিয়ে শত্রু এলাকায় সফর করতে নিষেধ করেছেন। (মধ্যকারী বর্ণনাকারী) মালিক বলেন, আমার ধারণা শত্রুর হাতে পড়ে কুরআন অবমাননার আশঙ্কায় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->শত্রুরাষ্ট্রে কুরআন নিয়ে সফর করা নিষিদ্ধ হাঃ-২৮৭৯

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন মাজীদ নিয়ে শত্রু এলাকায় সফরে যেতে নিষেধ করেছেন, এই আশংকায় যে, তা দুশমনদের হস্তগত হয়ে যেতে পারে। [২৮৭৯] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->শত্রুরাষ্ট্রে কুরআন নিয়ে সফর করা নিষিদ্ধ হাঃ-২৮৮০

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন মাজীদ সাথে নিয়ে শত্রুর এলাকায় সফরে যেতে নিষেধ করতেন এই আশংকায় যে, তা দুশমনদের হস্তগত হয়ে যেতে পারে। [২৮৮০] তাহকিক আলবানীঃ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাজসজ্জা বাব->ইয়াহইয়া ইব্‌ন আবূ কাসীর বর্ণিত হাদীসে তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে পার্থক্য হাঃ-৫১৮১

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুসুম রঙের লাল কাপড়, রেশমী কাপড় এবং রুকু অবস্থায় কুরআন পড়তে নিষেধ করেছেন।