আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৪; ই.সে. ৩৭৫)
আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৯, ই. সে. নেই)
হিশাম (রহঃ) -এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৮৮৫, ই.সে. ৮৯৮)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব ও ইবনু খশ্রাম (রহঃ) ….. সকলেই আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৪৬৭, ই.সে ১৪৭৬)
সুফ্ইয়ান (রহঃ) খেকে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ১৯০২, ই.সে. ১৯০৯)
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২২৩৬, ই.সে.২২৩৭)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৩৭, ই.সে. ৩১৩৫)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩২৫, ই. সে. ৪৩২৬)
আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬১৫, ই. সে. ৪৬১৬)
সুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৭১৭, ই.সে. ৪৭১৮)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, আবূ কুরায়ব ও আবূ সা’ঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ... আ’মাশ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁদের উভয়ের বর্ণনাতে রয়েছে, গোলাম তার সাইয়্যিদ ও মনিবকে ‘আমার মাওলা’ বলবে না। এবং (প্রথম সূত্রের) বর্ণনাকারী আবূ মু’আবিয়াহ্ (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, ‘কারণ, তোমাদের মাওলা হলেন আল্লাহ’। (ই.ফা. ৫৬৮০, ই.সে. ৫৭১১)
আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা.৫৮২৭, ই.সে.৫৮৬২)
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে যুহরের সলাত আদায় করলাম। এরপর তিনি তাঁর বাড়ীর উদ্দেশে বের হলেন, আমিও তাঁর সাথে বের হলাম। সম্মুখে কয়েকটি শিশু আসলো। তিনি একজন একজন করে এদের সবার গালে হাত স্পর্শ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার গালেও হাত বুলালেন। আমি তাঁর হাতে এমন ঠাণ্ডা পরশ ও সুগন্ধি পেয়েছি (মনে হলো) যেন তিনি খুশবুওয়ালার পাত্র হতে হাত বের করেছেন। (ই.ফা. ৫৮৪৪, ই.সে.৫৮৭৯)
আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৪৪, ই.সে. ৬৯০০)