আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ ওয়াইল (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সিফ্ফীনের যুদ্ধে হাযির ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি সাহ্ল ইব্নু হুনাইফ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তোমরা নিজ মতামতকে বিশুদ্ধ মনে করো না। আমি নিজেকে আবূ জান্দালের দিন দেখেছি। আমি যদি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশ রদ করতে পারতাম, তবে তা নিশ্চয়ই রদ করতাম। আসলে আমরা যখনই কোন ভয়ানক অবস্থায় আমাদের স্কন্ধে তলোয়ার তুলে নিয়েছি, তখন তা আমাদের জন্য সহজ করে দেয়া হয়েছে এমনভাবে যা আমরা উপলব্ধি করেছি। কিন্তু বর্তমান অবস্থা অন্যরূপ।
আমাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবূ ওযায়িলকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সিফ্ফীনের যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। মূসা ইব্নু ইসমা’ঈল… সাহ্ল ইব্নু হুনায়ফ (রাঃ) বলেন, হে লোকেরা! দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের নিজস্ব মতামতকে গ্রহণযোগ্য মনে করো না। কেননা আবূ জান্দাল দিবসে (হুদাইবিয়াহ্র দিন) আমি ভেবেছিলাম, যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - এর সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করতে পারতাম, তাহলে অবশ্যই আমি তা প্রত্যাখ্যান করতাম। যে কোন ভয়াবহ অবস্থার জন্য আমরা যখনই তলোয়ার কাঁধে নিয়েছি, তখনই তলোয়ার আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের পথ সহজ করে দিয়েছ। বর্তমান বিষয়টি আলাদ। রাবী বলেন, আবূ ওয়ায়িল (রাঃ) বলেছেন, আমি সিফ্ফীনের যুদ্ধে শরীক ছিলাম; কতই না মন্দ ছিল সিফ্ফীনের লড়াই!(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১০)