সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->ক্বিয়ামাতের দিন মানুষকে তাদের পিতার নামে ডাকা হবে। হাঃ-৬১৭৭

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (ক্বিয়ামাতের দিন) শপথ ভঙ্গকারীর জন্য একটি পতাকা তোলা হবে এবং বলা হবে যে, এ হলো অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার নিদর্শন।আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩১)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->ক্বিয়ামাতের দিন মানুষকে তাদের পিতার নামে ডাকা হবে। হাঃ-৬১৭৮

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শপথ ভঙ্গকারীর জন্য ক্বিয়ামাতের দিন একটা পতাকা দাঁড় করানো হবে। আর বলা হবে যে, এটা অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার নিদর্শন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৬৩২)


সহিহ বুখারী অঃ->ফিত্‌না বাব->যখন কেউ কোন সম্প্রদায়ের কাছে কিছু বলে অতঃপর বেরিয়ে এসে উল্টো কথা বলে। হাঃ-৭১১১

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন মাদীনার লোকেরা ইয়াযীদ ইব্‌নু মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর বাই‘আত ভঙ্গ করল, তখন ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) তাঁর বিশেষ ভক্তবৃন্দ ও সন্তানদের একত্রিত করলেন এবং বললেন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলতে শুনেছি যে, ক্বিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি করে ঝান্ডা (পতাকা) উঠানো হবে। আর আমরা এ লোকটির (ইয়াযীদের) প্রতি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলের বর্ণিত শর্তানুযায়ী বাই‘আত গ্রহণ করেছি। বস্তুত কোন একজন লোকের প্রতি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলের দেয়া শর্ত মুতাবিক বাই‘আত গ্রহণ করার পর তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করার চেয়ে বড় কোন বিশ্বাসঘাতকতা আছে বলে জানি না। ইয়াযীদের বাই‘আত ভঙ্গ করেছে, কিংবা তার আনুগত্য করছে না আমি যেন কারো সম্পর্কে জানতে না পাই। তা না হলে তার ও আমার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬২৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->চুক্তিভঙ্গ হারাম হাঃ-৪৪২৫

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামাত দিবসে একটি পতাকা থাকবে। তখন বলা হবে যে, এটি অমুকের প্রতারণার পতাকা। (ই.ফা. ৪৩৮৩, ই.সে. ৪৩৮৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->জিহাদ ও এর নীতিমালা বাব->চুক্তিভঙ্গ হারাম হাঃ-৪৪২৭

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: প্রত্যেক অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামাত দিবসে একটি পতাকা থাকবে, যদদ্বারা তাকে চেনা যাবে। আর বলা হবে যে, এটি অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক। (ই.ফা. ৪৩৮৫, ই.সে. ৪৩৮৫)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->জিহাদ বাব->ওয়াদা পূরণ করা হাঃ-২৭৫৬

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি পতাকা স্থাপন করা হবে। বলা হবে, এটা অমুকের পু্ত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার নিদর্শন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->বায়আত অবশ্যই পূর্ণ করতে হবে হাঃ-২৮৭২

আবদুল্লাহ (বিন মাসউদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি করে পতাকা স্থাপন করা হবে এবং বলা হবে, এটা অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার পতাকা। [২৮৭২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ মুতাওয়াতির।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->বায়আত অবশ্যই পূর্ণ করতে হবে হাঃ-২৮৭২

আবদুল্লাহ (বিন মাসউদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি করে পতাকা স্থাপন করা হবে এবং বলা হবে, এটা অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার পতাকা। [২৮৭২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ মুতাওয়াতির।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জিহাদ বাব->বায়আত অবশ্যই পূর্ণ করতে হবে হাঃ-২৮৭৩

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাবধান! কিয়ামাতের দিন প্রত্যেক প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতকের জন্য তার প্রতারণার মাত্রা অনুযায়ী একটি করে পতাকা স্থাপন করা হবে। [২৮৭৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।