আ‘মাশ (রহঃ)-এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৪; ই.সে. ৩৭৫)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা.,৮১০, ই.সে.৮২২)
হিশাম (রহঃ) -এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৮৮৫, ই.সে. ৮৯৮)
ইসমা’ঈল (রহঃ) এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরের সানাদে হুশায়ম-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৯২৭, ই.সে. ৯৩৯)
আবু বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ এবং আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... সকলে হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৫৯১, ই.সে. ১৫৯৮)
সুফ্ইয়ান (রহঃ) খেকে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ১৯০২, ই.সে. ১৯০৯)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে আবূ উসামাহ্-এর হাদীসের সমর্থনে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ উসামাহ্ এর বর্ণিত হাদীসই পূর্ণাঙ্গ। (ই.ফা. ২০২৩, ই.সে. ২০৩০)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে এ সুত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২১৯২, ই.সে. ২১৯৪)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৭৩১, ই.সে. ২৭৩০)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩০৩৬, ই.সে. ৩০৩৩)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩২০৯, ই.সে. ৩২০৬).
‘উবায়দুল্লাহ্ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩২৪৬, ই.সে. ৩২৪৩)
হিশাম (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ মু’আবিয়াহ্ সহ সকলেই হিশাম (রাঃ) থেকে উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৩৯৫, ই.সে. ৩৩৯৪)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৫, ই. সে. ৪৬২৬)
যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ)…… থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৬৯৫, ই.সে. ৪৬৯৬)
আবূয যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৭৪০, ই.সে. ৪৭৪১)
হিশাম (রহঃ) সনদ থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪০০, ই.সে. ৫৪২২)
আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা.৫৮২৭, ই.সে.৫৮৬২)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, আবূ কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে হিশাম হতে রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তাঁদের একে অন্য হতে কিছু বর্ধিত রিওয়ায়াত করেছেন।(ই.ফা. ৫৮৪৩, ই.সে.৫৮৭৮)
হিশাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬০৬৬, ই.সে. ৬১০৩)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেই অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৬০৭৫, ই.সে. ৬১১৩)
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬০৭৭, ই.সে. ৬১১৫)
হিশাম (রহঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণিত। (ই.ফা. ৬৬২৫, ই.সে. ৬৬৮০)
হিশাম (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মু‘আয ইবনু হিশামের বর্ণিত হাদীসটি অধিক পরিপূর্ণ। (ই.ফা. ৬৬৭৩, ই.সে. ৬৭২৭)
আ‘মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৮৪৪, ই.সে. ৬৯০০)
হিশাম (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২৫৪, ই.সে. ৭৩০৯)
হিশাম (রঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২৫৯, ই.সে. ৭৩১৪)