‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কেউ রাতের বেলা সলাত আদায় করলে সে যেন ফাজ্রের পূর্বে শেষ সলাত হিসেবে বিত্র আদায় করে নেয়। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে (সাহাবীগণকে) এভাবে (সলাত আদায় করতে) আদেশ করতেন। (ই.ফা. ১৬২৬, ই.সে. ১৬৩৩)
আবুয্ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবুয্ যুবায়র (রহঃ) থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি জাবির (রাঃ)–কে বলতে শুনেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ এক ইয়াহূদীর লাশ যেতে দেখে এবং তা চোখের আড়াল না হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকলেন। (ই.ফা. ২০৯২, ই.সে. ২০৯৬)
আবুয্ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবুয্ যুবায়র (রহঃ) থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ এক ইয়াহুদীর লাশ যেতে দেখে এবং তা চোখের আড়াল না হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকলেন। (ই.ফা. ২০৯২, ই.সে. ২০৯৬)
আবুয্ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি ..... উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২১১৫, ই.সে. ২১১৮)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারের অধিক সা‘ঈ করেননি। (ই.ফা. ২৯৫১, ই.সে. ২৯৪৯)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জামরায় ক্ষুদ্র পাথর নুড়ি (পাথর) নিক্ষেপ করতে দেখেছি। (ই.ফা. ৩০০৬, ই.সে. ৩০০৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিগার পদ্ধতির বিবাহ নিষিদ্ধ করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৩৬, ই.সে. ৩৩৩৫)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
খাইবারে আমরা ঘোড়া এবং বন্য গাধার গোশ্ত খেয়েছি। পক্ষান্তরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। (ই.ফা. ৪৮৬৭, ই.সে. ৪৮৬৮)
তিনি বলেন, আবূ যুবায়র (রহঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন প্রাণীকে বেঁধে হত্যা করতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৪৯০৩, ই.সে. ৪৯০৭)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন মাদীনায় আমাদের নিয়ে সলাত আদায় করলেন। তারপর কিছু লোক এ মনে করে আগেই কুরবানী করে ফেললো যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্ভবত কুরবানী করেছেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যারা তাঁর পূর্বে কুরবানী করেছে, তাদেরকে আবার আর একটি কুরবানী করার আদেশ করেন এবং তিনি নির্দেশ দেন, কেউ যেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কুরবানী করার আগে কুরবানী না করে। (ই.ফা. ৪৯২৩, ই.সে. ৪৯২৭)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন, ... (উপরোক্ত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন)। (ই.ফা. ৫৩৬৯, ই.সে. ৫৩৮৮)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে মহিলা তার মাথায় কোন কিছু সংমিশ্রণ করে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ধমক দিয়েছেন। (ই.ফা. ৫৩৯২, ই.সে. ৫৪১৪)
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহূদীদের কিছু লোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সালাম দিল। তারা বলল- ‘আস্সামু আলাইকা ইয়া আবাল কাসিম’। তিনি বললেন, “ওয়া আলাইকুম”। তখন আয়িশাহ্ (রাঃ) বললেন, সে সময় তিনি ক্রোধান্বিত হয়েছিলেন- তারা কি বলল, আপনি কি শোনেননি? তিনি বললেন- হ্যাঁ, শুনেছি এবং তাদের উপর তা ফিরিয়ে দিয়েছি। তাদের বিপক্ষে আমাদের (প্রার্থনা) মঞ্জুর করা হয় কিন্তু আমাদের বিপক্ষে তাদের (প্রার্থনা) কবূল করা হয় না। (ই.ফা. ৫৪৭৫, ই.সে. ৫৪৯৭)
উম্মু শারীক (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, লোকেরা দাজ্জালের আতঙ্কে পর্বতে পালিয়ে যাবে। এ কথা শুনে উম্মু শারীক বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! সেদিন আরবের মানুষেরা কোথায় থাকবে? জবাবে তিনি বললেন, তখন তারা সংখ্যায় নগণ্য হবে। (ই.ফা. ৭১২৬, ই.সে. ৭১৭৯)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একজোড়া ইয়াহুদী নারী-পুরুষ যেনা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের রজম করার নির্দেশ দেন। [৪৪৫৪]
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে জীবিত থাকা অবস্থায় আমরা আমাদের যুদ্ধবন্দিনী ক্রীতদাসী ও উম্মু ওয়ালাদ বিক্রয় করতাম। আমরা এটিকে দুষণীয় মনে করতাম না। [২৫১৭]
আবূ যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে এক ইয়াহুদীর জানাযা যাচ্ছিল তখন তিনি তা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিলেন। আবূ যুবাইর (রহঃ) ..... আমাদেরকে সংবাদ এ দিয়েছেন যে, তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগন এক ইয়াহুদীর জানাযার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন তা অদৃশ্য হয়ে না যাওয়া পর্যন্ত।
জাবির ইব্ন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কায়লের মাপে নির্দিষ্ট পরিমাণ খেজুরের বিনিময়ে খোরমার স্তূপ বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন, যার সঠিক পরিমাণ জানা নেই।