সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতে হোক বা সলাতের বাইরে মাসজিদে থুথু নিক্ষেপ করা নিষিদ্ধ হাঃ-১১১১

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ (একদিন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের ক্বিবলাতে কাশি বা শিকনি দেখতে পেলেন কথাটা উল্লেখিত হয়েছে। এরপর তারা মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১০৪, ই.সে ১১১৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্যে খিয়ারে মাজলিস (ক্রয়-বিক্রয় ভঙ্গে ইচ্ছা-স্বাধীনতা) থাকবে হাঃ-৩৭৪৬

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যুহায়র ইবনু হারব ও ‘আলী ইবনু হুজর এবং আবূ রাবী‘ ও আবূ কামিল (রহঃ)…ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে, ইবনুল মুসান্না ও ইবনু আবূ ‘উমার এবং ইবনু রাফি‘ (রহঃ)……. ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উপরে উল্লেখিত নাফি‘ থেকে মালিক এর বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা.৩৭১১,ই.সে. ৩৭১১)


সহিহ মুসলিম অঃ->ওয়াসিয়্যাত বাব->এক তৃতীয়াংশের ওয়াসিয়্যাত হাঃ-৪০৯৮

ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উবাইদুল্লাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। আর তাঁরা সবাই এভাবে বলেছেন যে তার কাছে এমন সম্পদ আছে, যাতে সে ওয়াসিয়্যাত করতে পারে। কিন্তু আইয়ূব (রহঃ)- এর হাদীসে রয়েছে যে, তিনি বলেছেন, সে তাতে ওয়াসিয়্যাত করতে চায়। 'উবাইদুল্লাহ থেকে ইয়াহ্‌ইয়ার বর্ণনার মতই। ( ই. ফা. ৪০৬০, ই. সে. ৪০৫৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->হারানো বস্তু প্রাপ্তি বাব->মালিকের বিনানুমতিতে কোন পশুর দুধ দোহন হারাম হাঃ-৪৪০৪

কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, আবূ রাবি’, আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু আবূ ‘উমার ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) সকলেই ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মালিক (রাঃ) –এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের হাদীসে (আরবী) রয়েছে। কিন্তু লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে “তাঁর খাদ্য সামগ্রী স্থানান্তর করে নিয়ে যায়” অংশটি মালিক (রাঃ) –এর বর্ণনার অনুরূপ বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৪৩৬৩, ই.সে. ৪৩৬৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা এবং সেগুলোকে প্রশিক্ষণ দেয়া হাঃ-৪৭৩৮

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ, কুতাইবাহ ইবনু সা‘ঈদ, খালাফ ইবনু হিশাম, আবূ রাবী‘, আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু নুমায়র, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু সা‘ঈদ, ‘আলী ইবনু হুজর, আহমাদ ইবনু ‘আবদাহ, ইবনু আবূ ‘উমার, মুহাম্মদ ইবনু রাফি‘, হারূন ইবনু সা‘ঈদ আইলী (রহঃ) সকলেই নাফি‘ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) পূর্ববর্তী হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে হাম্মাদ ও ইবনু ‘উলাইয়্যাহ সূত্রে আইয়ূব (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে এতটুকূ বেশী বর্ণিত হয়েছে যে, ‘আবদুল্লাহ (ইবনু উমার) বলেন, আমি সে প্রতিযোগিতায় প্রথম হই এবং আমার ঘোড়াটি আমাকে নিয়ে লাফিয়ে মাসজিদে উঠে যায়। (ই.ফা. ৪৬৯১, ই.সে. ৪৬৯২)


সহিহ মুসলিম অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু এবং যেসব পশুর গোশত খাওয়া হালাল বাব->গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল হাঃ-৪৯২৫

নাফি’ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাফি’ (রাঃ) সূত্রে ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) কর্তৃক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে গুইসাপ সম্পর্কে লায়স কর্তৃক নাফি’র মাধ্যমে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে আইয়ূব বর্ণিত হাদীসে আরো রয়েছে, ‘রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে গুইসাপের গোশ্ত নিয়ে আসা হলো। তিনি তা খাননি এবং হারামও বলেননি’। আর উসামাহ্ (রাঃ)-এর এক হাদীসে রয়েছে, ‘এক লোক মাসজিদে দাঁড়ালো, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারে বসা ছিলেন’। (ই.ফা. ৪৮৭৪, ই.সে. ৪৮৭৫)