সহিহ বুখারী অঃ->রক্তপণ বাব->মহিলার ভ্রূণ হাঃ-৬৯০৫

উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মহিলাদের গর্ভপাত সম্বন্ধে সাহাবীদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। তখন মুগীরা (রাঃ) বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত লোকটিকে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৮)


সহিহ বুখারী অঃ->রক্তপণ বাব->মহিলার ভ্রূণ হাঃ-৬৯০৬

থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইব্‌নু মাসলামাহ (রাঃ) সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে এ ফায়সালা করতে দেখেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৩৮)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->রক্তমূল্য বাব->ভ্রুণের দিয়াত সম্পর্কে হাঃ-৪৫৭০

আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা ‘উমার (রাঃ) লোকদের কাছে মহিলাদের গর্ভপাত ঘটানোর অপরাধ সম্পর্কে পরামর্শ চাইলেন। তখন মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি একটি দাস অথবা দাসী (দিয়াত) প্রদানের আদেশ দেন। ‘উমার বললেন, আমার নিকট তোমার পক্ষে সাক্ষী দেয়ার মত একজন লোক নিয়ে এসো। অতঃপর তিনি মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ)-কে আনলেন এবং তিনি তার পক্ষে সাক্ষী দিলেন। অর্থাৎ এক ব্যক্তি তার স্ত্রী পেটে আঘাত করেছিল। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ ‘উবাইদ সূত্রে আমি জানতে পেরেছি, এই গর্ভপাতকে এজন্য ইমলাস বলা হয় যে, নারী গর্ভ খালাস হওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের আগেই গর্ভপাত করে। একইভাবে হাত হতে কোন জিনিস পড়ে যাওয়াকেও ইমলাস বলা হয়। সহীহ, তবে হারুন উল্লেখ বাদে। এর পূর্বের হাদীস দেখুন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->রক্তপণ বাব->গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াত হাঃ-২৬৪০

মুগীরাহ বিন শু‘বাহ ও মুহাম্মাদ বিন মাসলামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(মিসওয়ার) বলেন, আঘাতের কারণে কোন নারীর গর্ভপাত হলে তার ব্যাপারে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) লোকজনের পরামর্শ তলব করলেন। মুগীরা বিন শো‘বা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি এ ক্ষেত্রে একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী দিয়াতস্বরূপ ধার্য করেছেন। উমার (রাঃ) বলেন, তোমার কথার একজন সমর্থক উপস্থিত কর। তখন মুহাম্মাদ বিন মাসলামা (রাঃ) তার কথা সমর্থন করলেন। [২৬৪০]