সহিহ বুখারী অঃ->রক্তপণ বাব->মহিলার ভ্রুন এবং দিয়াত পিতা ও পিতার নিকটাত্মীয়দের উপর বর্তায়, সন্তানের উপর নয়। হাঃ-৬৯০৯

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাণী লিহ্‌য়ানের এক মহিলার ভ্রুন হত্যার ব্যাপারে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেন। তারপর দণ্ডপ্রাপ্ত মহিলার মৃত্যু হল, যার ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ফায়সালা করেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় ফায়সালা প্রদান করলেন যে, তার ত্যাজ্য সম্পত্তি তার ছেলে সন্তান ও স্বামী পাবে। আর দিয়াত আদায় করবে তার আসাবা।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৪১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->রক্তমূল্য বাব->ভ্রুণের দিয়াত সম্পর্কে হাঃ-৪৫৭৭

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ ঘটনা বর্ণিত। তিনি বলেন, ঐ দন্ডিত মহিলা, যার বিরুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি দাস দিয়াত প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সে মারা গেলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলেন, দন্ডিতার সন্তানরা তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির মালিক হবে এবং তার দিয়াত আদায় করবে তার আত্মীয়রা।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->ফারাইয বাব->মীরাস উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য এবং আকিলা আসাবাদের উপর হাঃ-২১১১

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

লিহ্ইয়ান বংশের একজন স্ত্রীলোককে তার (অন্যের আঘাতে মৃত্যুজনিত কারণে) গর্ভপাতের দিয়াত হিসাবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি গোলাম অথবা একটি দাসী প্রদানের ফয়সালা দেন। তিনি যে মহিলাটির উপর এই দিয়াত নির্ধারন করেন পরে সে মারা যায়। তার রেখে যাওয়া সম্পত্তির ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফয়সাসলা দেন যে, এটার তার স্বামী ও ছেলেদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হবে এবং তার উপর ধার্যকৃত দিয়াত তার আসাবাগণের উপর বর্তাবে। সহীহ, ইরওয়া (২২০৫), বুখারী, মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->কাসামাহ বাব->গর্ভস্থ সন্তানের দিয়াত হাঃ-৪৮১৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লেহইয়ান গোত্রের এক মহিলার উদরস্থ বাচ্চার ব্যাপারে আদেশ করেন, যে বাচ্চা মৃত অবস্থায় পড়ে গিয়েছিল, এর বিনিময়ে এক দাস বা এক দাসী দেওয়া হবে। তিনি যে মহিলাকে তা দিতে আদেশ করেন সে মারা গেলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করেন যে, তার মীরাস তার পুত্রদের এবং স্বামীকে দেওয়া হবে এবং তার দিয়াত আদায় করবে তার আত্মীয় আসাবাগণ।