সহিহ মুসলিম অঃ->‘কাসামাহ’ (খুনের ব্যপারে হলফ করা), ‘মুহারিবীন’ (শত্রু সৈন্য), ‘কিসাস” (খুনের বদলা) এবং ‘দিয়াত’ (খুনের শাস্তি স্বরূপ জরিমানা) বাব->যখন কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির জীবন অথবা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর আক্রমণ করে, তখন যদি আক্রান্ত ব্যক্তি তা প্রতিহত করে এবং প্রতিহত করার সময় আঘাতকারীর জীবন অথবা অঙ্গের ক্ষতিসাধন করে, তবে এর জন্য তাকে কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না হাঃ-৪২৬১

সাফওয়ান ইবনু ইয়া’লা (রা.) থেকে বর্নিতঃ

ইয়ালা ইবনু মুন্‌ইয়া (রাঃ)-এর এক শ্রমিকের হাতে এক ব্যক্তি কামড় বসিয়ে দিল। তখন সে সজোরে তার হাত টেনে নিল। এতে ঐ ব্যক্তির দাঁত খসে পড়ল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ব্যাপারে মুকাদ্দমা দায়ের করা হল। তখন তিনি তা নাকচ করে দেন এবং বলেন যে, তুমি তো তার হাত এমনভাবে চিবাতে চেয়েছিলে যেমনভাবে উট চিবায়। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭১] (ই.ফা. ৪২২২, ই.সে. ৪২২২)


সুনান নাসাঈ অঃ->কাসামাহ বাব->কামড় দেওয়ার কিসাস এবং এ সম্পর্কে ইমরান ইব্‌ন হুসায়ন (রাঃ)-থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে পার্থক্য হাঃ-৪৭৫৯

যুরারা ইব্‌ন আওফা (রহঃ) ইমরান ইব্‌ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির বাহুর উপর কামড় দিল। সে হাত টেনে নিলে ঐ ব্যক্তির দাঁত পড়ে গেল। পরে এই মোকদ্দমা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে পেশ করা হলে তিনি দিয়াত বাতিল করে দেন এবং বলেনঃ তুমি জন্তুর ন্যায় নিজের ভাইয়ের মাংস চিবাতে চাও ?


সুনান নাসাঈ অঃ->কাসামাহ বাব->কামড় দেওয়ার কিসাস এবং এ সম্পর্কে ইমরান ইব্‌ন হুসায়ন (রাঃ)-থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে পার্থক্য হাঃ-৪৭৬২

যুরারা ইব্‌ন আওফা (রহঃ) ইমরান ইব্‌ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির বাহু কামড়ে ধরে, ফলে তার দাঁত পড়ে যায়। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে তা বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ তুমি তোমার ভাইয়ের বাহু জানোয়ারের মত কামড়াতে চেয়েছিলে। তিনি তার দিয়াত বাতিল করে দিলেন।