সহিহ বুখারী অঃ->ক্রীতদাস আযাদ করা বাব->দু’ ব্যক্তির মালিকানাভুক্ত ক্রীতদাস বা কয়েকজন অংশীদারের দাসী আযাদ করা। হাঃ-২৫২২

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ যদি কোন ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে আর ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ অর্থ তার কাছে থাকে, তবে তার উপর দায়িত্ব হবে ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নির্ণয় করা। তারপর সে শরীকদের তাদের প্রাপ্য অংশ পরিশোধ করবে এবং ক্রীতদাসটি তার পক্ষ হতে মুক্ত হয়ে যাবে, কিন্তু (সে পরিমাণ অর্থ) না থাকলে তার পক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে যতটুকু সে মুক্ত করেছে।


সহিহ বুখারী অঃ->ক্রীতদাস আযাদ করা বাব->দাসদের মারধোর করা এবং আমার ক্রীতদাস ও আমার বাঁদী এরূপ বলা মাকরূহ। হাঃ-২৫৫৩

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ কোন (শরীকী) ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে এবং তার কাছে সেই ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ সম্পদ থাকলে তার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং তার সম্পদ থেকেই সেই ক্রীতদাস সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে যাবে, অন্যথায় সে যতটুকু মুক্ত করেছে ততটুকুই মুক্ত হবে।


সহিহ মুসলিম অঃ->দাসমুক্তি বাব->দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা হাঃ-৩৬৬২

ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি শরীক (যৌথ মালিকানাধীন) ক্রীতদাসের বেলায় তার নিজের অংশটুকু মুক্ত করে দেয় এবং তার (মুক্তিদাতার) কাছে এ পরিমাণ ধন-সম্পদ থাকে যা উক্ত ক্রীতদাসের মুল্য সমান হয়- তবে ন্যায় সঙ্গতভাবে মূল্য নিরূপণ করবে এবং বাকী অংশীদারদের অংশের মূল্যও তাকে পরিশোধ করতে হবে। আর ক্রীতদাসটি পুরোপুরি ভাবে তার পক্ষ থেকেই মুক্ত করা হবে। তবে যদি সে ( পুরো অংশের মূল্য পরিশোধে ) সক্ষম না হয় তাহলে সে যতটুকু অংশ মুক্ত করেছে ততটুকু মুক্ত হয়ে যাবে। (ই.ফা. ৩৬২৮, ই.সে. ৩৬২৮)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->দাসত্বমুক্তি বাব->যারা বলেন, গোলামকে কাজে লাগানো যাবে না হাঃ-৩৯৪১

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণিত। বর্ণনাকারী বলেন, নাফি’ কখনো অর্থাৎ “যা আযাদ করলো তা করলোই” এরূপ বলেছেন, আবার কখনো তা বলেননি। [৩৯৪১]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->বিচার কার্য বাব->একটি গোলামের দুইজন অংশীদারের মধ্যে একজন তার নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে হাঃ-১৩৪৬

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শরীকানা গোলামের মালিকদের কোন মালিক যদি নিজের প্রাপ্য অংশকে মুক্ত করে দেয় এবং তার নিকট গোলামের ন্যায়সংগত মূল্যের সমপরিমাণ সম্পদ থাকে সে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত হয়ে যাবে, অন্যথায় সে যেটুকু পরিমাণ মুক্ত করেছে সেটুকু পরিমাণই স্বাধীন হবে। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ- (২৫২৮), নাসা-ঈ