সহিহ বুখারী অঃ->ক্রীতদাস আযাদ করা বাব->দু’ ব্যক্তির মালিকানাভুক্ত ক্রীতদাস বা কয়েকজন অংশীদারের দাসী আযাদ করা। হাঃ-২৫২৩

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ কোন (শরীকী) ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করলে ঐ ক্রীতদাসের সম্পূর্ণটা মুক্ত করা তার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়বে, যদি তার কাছে সেই ক্রীতদাসের মূল্য সমপরিমান অর্থ থাকে। আর যদি তার কাছে কোন অর্থ না থাকে তাহলে তার দায়িত্ব হবে আযাদকৃত (গোলামের) ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা। এতে আযাদকারীর পক্ষ হতে ততটুকুই মুক্ত হবে, যতটুকু সে মুক্ত করেছে। মুসাদ্দাদ (রহঃ) বিশর ইবনু মুফাযযাল (রহঃ) সূত্রে ‘উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে উক্ত হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে ‎বর্ণিত আছে। (২৪৯১) (আ.প্র. ২৩৪০, ই.ফা. ২৩৫৭)‎


সুনানে আবু দাউদ অঃ->দাসত্বমুক্তি বাব->যারা বলেন, গোলামকে কাজে লাগানো যাবে না হাঃ-৩৯৪৩

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শরীকানা গোলামের নিজের অংশ আযাদ করে দেয়, তার নিকট যদি এ গোলামের সম্পূর্ণ মূল্য পরিমাণ মাল থাকে, তবে তার উচিত তাকে পূর্ণভাবে আযাদ করা। আর যদি এ পরিমাণ সম্পদ না থাকে, তবে সে তার অংশ পরিমাণই আযাদ হবে।