সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। হাঃ-৪১৬৩

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকটে গভীর রাত পর্যন্ত বিলম্ব করে। এরপর তার গৃহে গিয়ে দেখে যে, বাচ্চারা ঘুমিয়ে পড়েছে। তার স্ত্রী তার খাবার নিয়ে এলে সে সন্তানদের কারণে কসম করলো যে, সে খাবে না। পরে খাবার গ্রহণকে উচিত মনে করলে সে খেয়ে নিল। এরপর সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট এসে তাঁকে উক্ত ঘটনা বলে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম খায়, পরে অন্যটিকে তা থেকে উত্তম মনে করে, যে যেন তা করে ফেলে এবং নিজের কসমের কাফফারাহ দেয়। (ই.ফা. ৪১২৫, ই.সে. ৪০২৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। হাঃ-৪১৬৫

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ের উপর কসম করে, পরে অন্যটিকে তার চেয়ে ভালো মনে করে তবে সে যেন সেই ভাল বিষয়কে কার্যে পরিণত করে এবং কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করে। (ই.ফা. ৪১২৭, ই.সে. ৪০২৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। হাঃ-৪১৬৮

আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কসম করে, এরপর অন্যটিকে উত্তম মনে করে, তবে সে যেন উত্তমটিই করে এবং কসম ছেড়ে দেয়। (ই.ফা. ৪১৩০, ই.সে. ৪১২৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। হাঃ-৪১৭১

আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার তার নিকট এক ব্যাক্তি এসে একশ’ দিরহামের প্রার্থনা জানায়। তিনি বললেন, তুমি আমার নিকট একশ’ দিরহাম সওয়াল করছ! অথচ আমি হাতিমের ছেলে। আল্লাহর শপথ! তোমাকে আমি দান করব না। এরপর তিনি বললেন, আমি যদি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, যে ব্যক্তি কসম করে, পরে তদপেক্ষা উত্তম কিছু দেখে, তবে সে যেন সে উত্তমটিই পালন করে। (ই.ফা. ৪১৩৩, ই.সে. ৪১৩২)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->কাফফারা সমূহ বাব->কেউ শপথ করার পর তার বিপরীত করা কল্যাণকর প্রতিভাত হলে। হাঃ-২১০৮

আদী বিন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি শপথ করার পর তার বিপরীতে কল্যাণ দেখতে পেলে সে যেন ঐ কল্যাণকর কাজটি করে এবং তার শপথের কাফফারা আদায় করে। [২১০৮]


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->শপথ ভঙ্গের পূর্বেই কাফ্‌ফারা দেয়া হাঃ-৩৭৮১

আমর ইব্‌ন শুআয়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন কিছুর শপথ করে, এরপর অন্য কিছুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়, তখন সে যেন নিজের কসমের কাফ্‌ফারা দিয়ে দেয় এবং ঐ উত্তম কাজটি করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->শপথ ভঙ্গের পূর্বেই কাফ্‌ফারা দেয়া হাঃ-৩৭৮২

আবদুর রহমান ইব্‌ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন কোন কিছুর শপথ করে, পরে সে অন্য কোন বস্তুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়, তখন সে যেন তার কসমের কাফ্‌ফারা দিয়ে ঐ উত্তম কাজটি করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->শপথ ভঙ্গের পূর্বেই কাফ্‌ফারা দেয়া হাঃ-৩৭৮৪

আবদুর রহমান ইব্‌ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তুমি কোন কসম করবে, আর অন্য কোন বস্তু তা থেকে উত্তম দেখতে পাবে, তখন তুমি তোমার কসমের কাফ্‌ফারা দিয়ে দিবে, আর যা উত্তম তা করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->কসম ভাঙ্গার পর কাফ্‌ফারা আদায় করা হাঃ-৩৭৮৫

আদী ইব্‌ন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ কোন বিষয়ে শপথ করে যদি অন্য কোন বিষয়কে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়; তবে সে যেন উত্তমকে গ্রহণ করে এবং পরে স্বীয় শপথের কাফ্‌ফারা আদায় করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->কসম ভাঙ্গার পর কাফ্‌ফারা আদায় করা হাঃ-৩৭৮৬

আদী ইব্‌ন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে শপথ করে, তারপর অন্য বিষয়কে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়, সে যেন শপথ পরিত্যাগ করে উত্তমকে গ্রহণ করে এবং শপথের কাফ্‌ফারা দিয়ে দেয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->কসম ভাঙ্গার পর কাফ্‌ফারা আদায় করা হাঃ-৩৭৮৭

আদী ইব্‌ন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ কোন শপথ করার পর যদি অন্য কিছুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়, তবে সে যেন উত্তমকে গ্রহণ করে এবং শপথ ভঙ্গ করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->কসম ভাঙ্গার পর কাফ্‌ফারা আদায় করা হাঃ-৩৭৮৯

আবদুর রহমান ইব্‌ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেনঃ যখন তুমি কোন শপথ করে অন্য বস্তুকে তা অপেক্ষা উত্তম দেখতে পাবে, তখন উত্তমটা করে ফেলবে এবং তোমার কসমের কাফ্‌ফারা দিয়ে দেবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->কসম ভাঙ্গার পর কাফ্‌ফারা আদায় করা হাঃ-৩৭৯০

আবদুর রহমান ইব্‌ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি যখন কোন শপথ করার পর অন্য কিছুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পাবে, তখন উত্তমটা করবে এবং নিজ শপথের কাফ্‌ফারা দিয়ে দিবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->কসম ভাঙ্গার পর কাফ্‌ফারা আদায় করা হাঃ-৩৭৯১

আবদুর রহমান ইব্‌ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি যখন কোন কিছুর শপথ করার পর অন্য কিছুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পাবে, তখন ঐ উত্তমটা করবে এবং তোমার শপথের কাফ্‌ফারা আদায় করবে।