সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। হাঃ-৪১৬৪

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, পরে অন্যটি তার চেয়ে উত্তম মনে করে, তবে সে যেন তার কসমের কাফ্‌ফারা দেয় এবং ঐ (উত্তম) কাজটি করে ফেলে। (ই.ফা. ৪১২৬, ই.সে. ৪০২৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। হাঃ-৪১৬৫

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ের উপর কসম করে, পরে অন্যটিকে তার চেয়ে ভালো মনে করে তবে সে যেন সেই ভাল বিষয়কে কার্যে পরিণত করে এবং কসমের কাফ্‌ফারা আদায় করে। (ই.ফা. ৪১২৭, ই.সে. ৪০২৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। হাঃ-৪১৬৮

আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কসম করে, এরপর অন্যটিকে উত্তম মনে করে, তবে সে যেন উত্তমটিই করে এবং কসম ছেড়ে দেয়। (ই.ফা. ৪১৩০, ই.সে. ৪১২৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। হাঃ-৪১৬৯

আদী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ কসম করে, এরপর তার চেয়ে উত্তম কিছু দেখে, তবে সে যেন তার কাফ্‌ফারাহ্‌ আদায় করে এবং তা-ই যেন করে যা উত্তম। (ই.ফা. ৪১৩১, ই.সে. ৪১৩০)


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->শপথ ভঙ্গের পূর্বেই কাফ্‌ফারা দেয়া হাঃ-৩৭৮১

আমর ইব্‌ন শুআয়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন কিছুর শপথ করে, এরপর অন্য কিছুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়, তখন সে যেন নিজের কসমের কাফ্‌ফারা দিয়ে দেয় এবং ঐ উত্তম কাজটি করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->শপথ ভঙ্গের পূর্বেই কাফ্‌ফারা দেয়া হাঃ-৩৭৮২

আবদুর রহমান ইব্‌ন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন কোন কিছুর শপথ করে, পরে সে অন্য কোন বস্তুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়, তখন সে যেন তার কসমের কাফ্‌ফারা দিয়ে ঐ উত্তম কাজটি করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->কসম ভাঙ্গার পর কাফ্‌ফারা আদায় করা হাঃ-৩৭৮৫

আদী ইব্‌ন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ কোন বিষয়ে শপথ করে যদি অন্য কোন বিষয়কে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়; তবে সে যেন উত্তমকে গ্রহণ করে এবং পরে স্বীয় শপথের কাফ্‌ফারা আদায় করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->কসম ভাঙ্গার পর কাফ্‌ফারা আদায় করা হাঃ-৩৭৮৬

আদী ইব্‌ন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে শপথ করে, তারপর অন্য বিষয়কে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়, সে যেন শপথ পরিত্যাগ করে উত্তমকে গ্রহণ করে এবং শপথের কাফ্‌ফারা দিয়ে দেয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->কসম ও মান্নাত বাব->কসম ভাঙ্গার পর কাফ্‌ফারা আদায় করা হাঃ-৩৭৮৭

আদী ইব্‌ন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ কোন শপথ করার পর যদি অন্য কিছুকে তার চাইতে উত্তম দেখতে পায়, তবে সে যেন উত্তমকে গ্রহণ করে এবং শপথ ভঙ্গ করে।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->মানত ও শপথ বাব->শপথ ভঙ্গের আগেই কাফফারা প্রদান করা। হাঃ-১৫৩০

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বিষয়ে কেউ শপথ করার পর তার বিপক্ষে কাজ করার মধ্যে মঙ্গল দেখতে পেলে সে যেন তার শপথ ভঙ্গের কাফফারা প্রদান করে এবং কল্যাণকর কাজটি সম্পাদন করে। সহীহ্, ইরওয়া (২০৮৪), রাওযুন নাযীর (১০২৯), মুসলিম


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->কাফফারা সমূহ বাব->কেউ শপথ করার পর তার বিপরীত করা কল্যাণকর প্রতিভাত হলে। হাঃ-২১০৮

আদী বিন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি শপথ করার পর তার বিপরীতে কল্যাণ দেখতে পেলে সে যেন ঐ কল্যাণকর কাজটি করে এবং তার শপথের কাফফারা আদায় করে। [২১০৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->কাফফারা সমূহ বাব->যারা বলে, মন্দ বিষয়ে শপথের কাফফারা হলো কাজটি বর্জন করা। হাঃ-২১১১

আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি কোন বিষয়ে শপথ করার পর তার বিপরীতে কল্যাণ লক্ষ্য করলে সে যেন তার শপথ ত্যাগ করে। তার শপথ ত্যাগ করাই তার শপথ ভঙ্গের কাফফারা। [২১১১]