‘উক্বাহ ইব্নু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার বোন পায়ে হেঁটে হজ্জ করার মানত করেছিল। আমাকে এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ফাতাওয়া আনার নির্দেশ করলে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ পায়ে হেঁটেও চলুক, সওয়ারও হোক। ইয়াযীদ ইব্নু আবূ হাবীব (রহঃ) বলেন, আবুল খায়ের (রহঃ) ‘উক্বাহ (রাঃ) হতে কখনো বিচ্ছিন্ন হতেন না। ‘উক্বাহ (রাঃ) হতেও এ হাদীস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, আবূ আসিম আমাদের ইব্নু জুরাইজের বরাতে তিনি ইয়াহইয়াহ বিন আইউব থেকে তিনি ইয়াযিদ বিন আবুল খায়ের থেকে তিনি ‘উক্বাহ থেকে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন।
উক্ববাহ ইবনু ‘আমির আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার এক বোন পায়ে হেঁটে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করার মানত করেন। তিনি আমাকে হুকুম করলেন, আমি যেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে ফাতাওয়াহ জিজ্ঞেস করি। আমি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফাতাওয়াহ জানতে চাইলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে যেন পায়ে হেঁটেও যায় এবং বাহনে চড়েও যায়। সহীহঃ ইরওয়া (৮/২১৯)।
উকবা ইব্ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমার বোন পায়ে হেঁটে আল্লাহ্র ঘরে যাওয়ার মান্নত করে। এ ব্যপারে সে আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফাত্ওয়া জিজ্ঞাসা করতে বলে। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন : সে যতদূর পায়ে হেঁটে যেতে পারে যাবে, তারপর বাহনে আরোহণ করবে।