সহিহ বুখারী অঃ->সৃষ্টির সূচনা বাব->জান্নাতের বর্ণনা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে আর তা হল সৃষ্ট হাঃ-৩২৪৭

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বলেছেন, আমার উম্মাতের সত্তর হাজার লোক অথবা সাত লক্ষ লোক একই সঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের কেউ আগে কেউ পরে এভাবে নয় আর তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের মত উজ্জ্বল থাকবে।


সহিহ বুখারী অঃ->কোমল হওয়া বাব->সত্তর হাজার লোকের বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ হাঃ-৬৫৪৩

সাহ্‌ল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের সত্তর হাজার অথবা সাত লাখ লোক একে অপরের হাত ধরে জান্নাতে দাখিল হবে। বর্ণনাকারীর এ দু’সংখ্যার মাঝে সন্দেহ রয়েছে। তাদের প্রথম থেকে শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত সকলেই জান্নাতে দাখিল হবে আর তাদের চেহারাগুলো পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় জ্বল জ্বল করতে থাকবে। (.১২ ৬০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০০)


সহিহ বুখারী অঃ->কোমল হওয়া বাব->জান্নাত ও জাহান্নাম-এর বিবরণ । হাঃ-৬৫৫৪

সাহ্‌ল ইব্‌ন সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাত হতে সত্তর হাজার অথবা সাত লক্ষ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। রাবী আবূ হাযিম জানেন না যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উক্ত দু’টি সংখ্যা হতে কোন্‌টি বলেছেন। তারা একে অপরের হস্ত দৃঢ়ভাবে ধারণ করতঃ জান্নাতে প্রবেশ করবে। প্রথম ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না সর্বশেষ ব্যক্তি তাতে প্রবেশ করবে। তাদের চেহারাগুলো পূর্ণিমার রাতের চাঁদের ন্যায় জ্যোতির্ময় হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১০৯)