ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) –এর উল্লেখিত সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৮৮২, ই.সে. ৮৯৫)
যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। সালিহ এর বর্ণনায় আরো অতিরিক্ত আছেঃ “এরপর ওফাত পর্যন্ত তিনি সহাবাদের নিয়ে আর সলাত আদায়ের সুযোগ পাননি।” (ই.ফা. ৯১৬, ই.সে. ৯২৮)
যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাসীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৯১৮, ই.সে. ৯৩০)
আবুত্ ত্বহির, হারমালাহ্, ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সবাই যুহরী থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তারা উভয়ে (ইবনু ইউসুফ ও মা‘মার) “এক বছর অথবা দু’বছর পূর্বে” কথাটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ১৫৮৩, ই.সে. ১৫৯০)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০৫২, ই.সে. ২০৫৭)
যুহরী (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২২৯৩, ই.সে. ২২৯৪)
যুহরী (রাঃ) থেকে সালিহ (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৩০২, ই.সে. ২৩০৩)
যুহরী (রহঃ) থেকে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে উভয়ে তাদের হাদীসে শুধু (আরবী) ‘সন্তান তো বিছানার অধিপতির’ কথাটুকু বর্ণনা করেছেন এবং (আরবী) ‘ব্যভিচারীর জন্য পাথর’ অংশের উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৩৪৭৯, ই.সে. ৩৪৭৮)
যুহরী (রহঃ) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রহঃ) সূত্রে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৩৯৮৬, ই. সে. ৩৯৮৫)
উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। তবে ইউনুস ও মা’মার (রহঃ)- এর বর্ণনায় ((আরবী)) এবং লায়স ও ইবনু ‘উয়াইনাহ্ (রহঃ)- এর বর্ণনায় ((আরবী)) এবং মুহাম্মাদ ইবনু নু‘মান ও হুমায়দ ইবনু ‘আবদুর রহমান থেকে লায়স এর বর্ণনায় “বাশীর নু‘মানকে সাথে নিয়ে আসে” বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৪০৩৪, ই.সে. ৪০৩৩)
আবূ তাহির ও হারমালাহ্, 'আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব, ইবনু লায়স, ইবনু আবূ 'উমার 'আব্দ ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সকলেই যুহরী (রহঃ) সূত্রে উক্ত সানাদে 'আম্র ইবনু হারিস এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪০৬২, ই. সে. ৪০৬১)
‘আব্দ ইবনু হুমায়দ ও ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ, ‘আমর আন্ নাকিদ, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম, হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া, ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ ও ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) সবাই যুহরী (রহঃ)- এর সূত্রে লায়স (রহঃ)- এর বর্ণিত সানাদের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪০৯০, ই.সে. ৪০৮৯)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৫২, ই. সে. ৪২৫২)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
এভাবে হাদীস বর্ণনা করেছেন যেভাবে ‘উকায়ল যুহরীর মাধ্যমে আবূ হুরাইরার বরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৭৪, ই. সে. ৪২৭৫)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রহঃ) হতে একই সুত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৮৭, ই. সে. ৪২৮৮)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ভিন্ন সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ তাহির, হারমালাহ্, ইসহাক্ ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ)... যুহরী (রহঃ) হতে এ সানাদে বর্ণনা করেছেন। তবে ইউনুস-এর বর্ণনায় রয়েছে, গৃহপালিত গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন। (ই.ফা. ৪৮৫১, ই.সে. ৪৮৫২)
উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৩২৭, ই.সে. ৫৩৪৪)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৫৮০৪, ই.সে. ৫৮৩৯)
যুহরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহরী (রাঃ) থেকে সকলেই মালিক-এর সানাদে ও তাঁর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তাঁর বক্তব্য (আরবী) (সেও মুখ ফিরিয়ে নিল এবং তিনিও মুখ ফিরিয়ে নিলেন) এর পরিবর্তে মালিক ব্যতীত তাঁদের সকলেই বর্ণনা করেন (আরবী) (তিনিও বিরত থাকলেন, সেও বিরত থাকল) (ই.ফা. ৬৩০১, ই.সে. ৬৩৫১)