আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘উমরাহ বৈধ। ‘আতা (রহঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে একই রকম হাদীস শুনিয়েছেন।
জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আজীবনের জন্যে দান বৈধ। (ই.ফা. ৪০৫৪, ই.সে. ৪০৫৩)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সারা জীবনের জন্য কাউকে কিছু দান করা জায়িয।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকে জীবনস্বত্ব দেয়া হয় সেটা তারই হয়ে যায়। রুকবা যাকে দেয়া সে-ই হয় এর স্বত্বাধিকারী। সহীহ: ইবনু মাজাহ (২৩৮৩)।
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জীবনস্বত্ব (উমরা) এক প্রকার দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার এবং রুকবা ও এক প্রকারের দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার। [২৩৮৩]
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসল্লাম) বলেছেনঃ জীবন-স্বত্ব প্রদান করা (আজীবনের জন্য কিছু দান করা) জায়িয, যে লোককে এটা প্রদান করা হবে তার জন্য অথবা (তিনি বলেন) তা তার উত্তরাধিকারগণের জন্য উত্তরাধিকার স্বত্ব হিসাবে গণ্য। সহীহ্, মুসলিম- (৫/৬৯,৭০), জাবির ও আবূ হুরায়রা হতে।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তিকে জীবন-স্বত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা তার জন্য হালাল। যে ব্যক্তিকে রুকবা দেওয়া হয়েছে সেটা তার জন্য হালাল। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ- (২৩৮৩), মুসলিম
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ‘উম্রা’ (কাউকে তার হায়াতকালের জন্য কিছু দান করা) জায়েয (কার্যকর), আর তখন তা তারই হয়ে যাবে, যাকে দেয়া হবে। আর রুক্বা ঐ ব্যক্তির জন্য (কার্যকর) হয়ে যায়, যার জন্য তা করা হয়। দান করে ফেরত গ্রহণকারী ঐ ব্যক্তির মত, যে বমি করে তা আবার খায়।
যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ উমরা বৈধ (কার্যকর)।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উমরারূপে দান বৈধ (চলমান থাকবে)।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উমরা করা বৈধ (কার্যকর)।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে খুতবা দিতে গিয়ে বললেন: উমরা বৈধ (কার্যকর)।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: উমরা বৈধ (কার্যকর)।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : উমরা (-র বস্তু) যাকে দেয়া হয়, তা তার জন্য বৈধ হয়ে যায়। আর রুক্বা যাকে দেয়া হয়, তা তার জন্য বৈধ হয়ে যায়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন : উমরা (করা) বৈধ (কার্যকর)।