সহিহ মুসলিম অঃ->হিবাত (দান) বাব->উমরার [২১] বর্ণনা হাঃ-৪০৮২

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে কোন ব্যক্তি কাউকে তার সারা জীবনের জন্যে এবং তার সন্তানাদির জন্য দান করে, এরূপ বলে যে, “আমি তোমাকে তা দিলাম এবং তোমার সন্তানদেরকে যতদিন পর্যন্ত তোমাদের মধ্যে কেউ জীবিত থাকে, তবে তা তারই হয়ে যাবে যাকে দান করা হল। তা তার মালিকের নিকট আর ফিরে আসবে না। কারণ, সে এমনভাবেই দান করেছে যার মধ্যে উত্তরাধিকার প্রবর্তন হয়ে গেছে।” (ই.ফা. ৪০৪৫, ই.সে. ৪০৪৪)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->ইজারা (ভাড়া ও শ্রম বিক্রয়) বাব->জীবনস্বত্ব দেয়ার সময় যদি কেউ বলে, তার ওয়ারিসগণও পাবে হাঃ-৩৫৫৩

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সারা জীবনের জন্য কাউকে কিছু দান করে বলে, তাকে এবং তার উত্তরাধিকারীকে জীবনস্বত্ব দেয়া হলো। তাহলে এই জীবনস্বত্ব মালিক সে এবং তার ওয়ারিসরা হবে, যা কখনো গ্রহীতার কাছ থেকে দাতার নিকট ফিরে আসবে না। কারণ সে এমনভাবে দান করেছে, যাতে উত্তরাধিকারস্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সহীহ: নাসায়ী (৩৭৪৫)।


সুনান নাসাঈ অঃ->উমরারূপে দান করা বাব->এ বিষয়ে যুহরী হতে বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৭৪৫

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যে কোন ব্যক্তি উমরা হিসেবে কাউকে কিছু দান করে এবং তার ওয়ারিসদেরকে; তবে ঐ বস্তু যাকে দেয়া হয়েছে তার হয়ে যাবে; যে দান করেছে তা তার নিকট ফিরে আসবে না। কেননা সে এমন একটি দান করেছে যাতে ‘মীরাস’- এর অধিকার প্রযুক্ত হয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->উমরারূপে দান করা বাব->এ বিষয়ে যুহরী হতে বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৭৪৮

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তি এবং তার উত্তরসূরীদের জন্য উমরা করলো, এই বলে যে, আমি ইহা তোমাকে এবং তোমার উত্তরসূরীদেরকে দান করলাম - যতদিন তোমাদের কেউ বেঁচে থাকবে। তবে যাদেরকে দান করা হয়েছে, তা তাদের হয়ে যাবে। আর এটা দাতার দিকে ফিরে আসবে না। কেননা সে এমনভাবে দান করেছে, যাতে (গ্রহীতার) মীরাসের বিধান সাব্যস্ত হয়ে গেছে। [১]