সহিহ বুখারী অঃ->হিবা ও তার ফযীলত এবং এর প্রতি উৎসাহ প্রদান বাব->সন্তানের জন্য হিবা। কোন এক সন্তানকে কিছু দান করা বৈধ হবে না, যতক্ষণ না ইনসাফের সঙ্গে অন্য সন্তানদের সমভাবে দান করা হয়। অবশ্য এ ক্ষেত্রে উক্ত পিতার বিপক্ষে কারো সাক্ষী দেয়া চলবে না। হাঃ-২৫৮৬

নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার পিতা তাকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলেন এবং বললেন, আমি আমার এই পুত্রকে একটি গোলাম দান করেছি। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার সব পুত্রকেই কি তুমি এরূপ দান করেছ। তিনি বললেন, না; তিনি বললেন, তবে তুমি তা ফিরিয়ে নাও।


সহিহ মুসলিম অঃ->হিবাত (দান) বাব->দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ হাঃ-৪০৬৯

নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তাঁর পিতা তাঁকে সঙ্গে করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট আসেন। তারপর বলেন যে, আমি আমার এ পুত্রকে আমার একটি গোলাম দান করেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার সকল সন্তানকে কি এভাবে দান করেছো? তিনি বললেন, না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তা হলে তুমি তা ফিরিয়ে নাও। (ই.ফা. ৪০৩২, ই.সে. ৪০৩১)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হেবা বাব->কোন ব্যক্তি এক সন্তানকে দান করলে (এবং অন্যদের বঞ্চিত করলে) । হাঃ-২৩৭৬

নু’মান বিন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার পিতা তাকে একটি গোলাম দান করার পর তার অনুকূলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সাক্ষী করার জন্য তাঁর নিকট আসেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি কি তোমার সকল পুত্রকে দান করেছো? তিনি বলেন, না। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি তা ফেরত নাও। [২৩৭৬]


সুনান নাসাঈ অঃ->বিশেষ দান বাব->‘নাহল’ সম্পর্কিত নু’মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) –এর হাদীসের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৬৭২

নু’মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পিতা তাঁকে একটি দাস দান করলেন। এরপর তিনি এর সাক্ষী রাখার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলে তিনি বললেনঃ তুমি কি তোমার প্রত্যেক সন্তানকে দান করেছো ? তিনি বললেনঃ না। তিনি বললেনঃ তা হলে তা প্রত্যাহার করে নাও।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিশেষ দান বাব->‘নাহল’ সম্পর্কিত নু’মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) –এর হাদীসের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৬৭৩

নু‘মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পিতা তাকে সাথে নিয়ে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি আমার একটি গোলাম আমার এ ছেলেকে দান করেছি। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার প্রত্যেক সন্তানকেই দান করেছ? তিনি বললেনঃ না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তা (তোমার দান) ফিরিয়ে নাও।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিশেষ দান বাব->‘নাহল’ সম্পর্কিত নু’মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) –এর হাদীসের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৬৭৪

নু‘মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পিতা বশীর ইব্‌ন সা’দ (রাঃ) তার ছেলে নু‘মানকে সঙ্গে নিয়ে এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌ ! আমি আমার এই ছেলেকে একটি দাস দান করেছি। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার সকল ছেলেকে কি দান করেছ? তিনি (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) বললেনঃ না। তিনি বললেনঃ তাহলে তা ফিরিয়ে নাও।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিশেষ দান বাব->‘নাহল’ সম্পর্কিত নু’মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) –এর হাদীসের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৬৭৫

বশীর ইব্‌ন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নু’মান ইব্‌ন বশীরকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি আমার এই ছেলেকে একটি দাস দান করেছি। যদি আপনি অনুমতি দেন, তাহলে আমি এই দান বহাল রাখবো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি তোমার সকল ছেলেকে দান করেছ? বশীর বললেনঃ না। তিনি (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) বললেনঃ তুমি তা ফিরিয়ে নাও।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিশেষ দান বাব->‘নাহল’ সম্পর্কিত নু’মান ইব্‌ন বশীর (রাঃ) –এর হাদীসের বর্ণনায় বিরোধ হাঃ-৩৬৭৭

বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার এক ছেলেকে একটি দাস দান করলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে সাক্ষী রাখতে ইচ্ছা করলেন। তিনি বললেন: তুমি কি তোমার প্রত্যেক ছেলেকে অনুরূপ দান করেছ? তিনি (বশীর) বললেন: না। তখন তিনি [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেন: তাহলে তা (এই দান) ফিরিয়ে নাও।