সাঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কারো জমির অংশ যুল্ম করে কেড়ে নেয়, কিয়ামতের দিন এর সাত তবক জমিন তার গলায় লটকিয়ে দেয়া হবে।
আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বর্ণনা করেন যে, তাঁর এবং কয়েকজন লোকের মধ্যে বিবাদ ছিল। ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, হে আবূ সালামা! জমির ব্যাপারে সতর্ক থাক। কেননা, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক এক বিঘত জমি অন্যায়ভাবে নিয়ে নেয়, (কিয়ামতের দিন) এর সাত তবক জমি তার গলায় লটকিয়ে দেয়া হবে।
আবূ সালামা ইব্নু ‘আবদির রাহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন), কয়েকজন লোকের সঙ্গে একখণ্ড ভূমি নিয়ে তাঁর ঝগড়া ছিল। ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট এসে তা জানালেন। তিনি বললেন, হে আবূ সালামা! জমা-জমির গোলমাল হতে দূরে থাক। কেননা, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক এক বিঘত পরিমাণ অন্যের জমি অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করেছে, কিয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের হার তার গলায় পরিয়ে দেয়া হবে।
উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আরওয়া বিনতু উওয়ায়স সা’ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর উপর দাবী করেন যে, তিনি আরওয়ার জমির কিছু অংশ জবর দখল করেছেন। সে মারওয়ান ইবনু হাকামের (উমাইয়াহ্ শাসক) নিকট এর বিচার দাবি করে। সা’ঈদ বললেনঃ আমি কী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর থেকে ঐ কথা শোনার পরে তার জমির কিছু অংশ জবর দখল করতে কেমন করে পারি? তিনি বললেন, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে কী কথা শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি এক বিঘত পরিমাণ জমি জোরপূর্বক দখল করবে কিয়ামতের দিন তাকে সাত স্তর জমিনের বেড়ি (তার গলায়) পরিয়ে দেয়া হবে। মারওয়ান বললেন, এরপর আপনার নিকট আর প্রমাণের কথা জিজ্ঞেস করব না। এরপর সা’ঈদ বললেন, হে আল্লাহ! ‘আরওয়া যদি মিথ্যাবাদিনী হয় তবে তার দু’চোখ অন্ধ করে দিন এবং তার জমিতে তাকে মৃত্যুদান করুন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর সে অন্ধ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেনি। পরে তার জমিতে চলার সময় হঠাৎ এক গর্তে পড়ে মারা যায়। (ই. ফা. ৩৯৮৯, ই. সে. ৩৯৮৮)