আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জীবজন্তু পাহারার অথবা শিকারী অথবা ক্ষেত পাহারার কুকুর ছাড়া অন্য কুকুর রাখবে, তার সাওয়াব থেকে প্রতিদিন এক কীরাত করে কমে যাবে। যুহরী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু ‘উমারের নিকট আবূ হুরাইরার বক্তব্যটি উল্লেখ করা হলে তিনি বললেনঃ আল্লাহ আবূ হুরাইরার প্রতি রহমত করুন। তিনি ছিলেন একজন কৃষক। (ই. ফা. ৩৮৮৬, ই. সে. ৩৮৮৫)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এমন কুকুর রাখবে যা শিকারী অথবা বকরীর পাল পাহারা দেয়ার উদ্দেশ্য ব্যতীত তাহলে প্রতিদিন তার ‘আমাল থেকে এক কীরাত করে কমতে থাকবে। (ই. ফা. ৩৮৯০, ই. সে. ৩৮৮৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি পশুদের রক্ষণাবেক্ষন, শিকার কিংবা কৃষিক্ষেতের পাহারার উদ্দেশ্যে ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে কুকুর পোষে, তার সাওয়াব থেকে প্রত্যহ এক ক্বীরাত করে বিয়োগ করা হবে।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ গবাদিপশু পাহারাদার কুকুর, শিকারী কুকুর অথবা কৃষিক্ষেতে পাহারাদার কুকুর ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্য নিয়ে যে লোক কুকুর লালন-পালন করে থাকে তার সাওয়াব হতে প্রতিদিন এক কীরাত পরিমাণ কমে যায়। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (৩২০৪) নাসা-ঈ, বুখারীতে শিকারী কুকুরের উল্লেখ আছে মুয়াল্লাকভাবে।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন মুগাফ্ফাল (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি শিকারী কুকুর, গবাদি পশুর রক্ষণাবেক্ষণের কুকুর এবং কৃষিকাজের হিফাযতের কুকুর ব্যতীত অন্য কোন কুকুর পালন করবে, প্রতিদিন তার সওয়াব থেকে এক কীরাত কমে যাবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শিকারী কুকুর, পালিত জন্তুর রক্ষক কুকুর অথবা জমি পাহারার কুকুর ব্যতীত অন্য কোন কুকুর পালন করবে, তার আমল হতে প্রতিদিন এক কীরাত সওয়াব কমে যাবে।