আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআনের এই আয়াতটি নাযিল করলেন, “আপনি আপনার নিকটাত্মীয়দের সতর্ক করে দিন।” (শু‘আরা ২১৪)। তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং বললেন, ‘হে কুরায়শ সম্প্রদায়! কিংবা অনুরূপ শব্দ বললেন, তোমরা আত্মরক্ষা কর। আল্লাহ্র আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না। হে বনূ আব্দ মানাফ! আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমাদের কোন উপকার করতে পারব না। হে ‘আব্বাস ইব্নু ‘আবদুল মুত্তালিব! আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না। হে সাফিয়্যাহ! আল্লাহর রসূলের ফুফু, আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না। হে ফাতিমা বিন্তে মুহাম্মাদ! আমার ধন-সম্পদ থেকে যা ইচ্ছা চেয়ে নাও। আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে আমি তোমার কোন উপকার করতে পারব না। আসবাগ (রহঃ) ইব্নু ওয়াহাব (রহঃ)..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় আবুল ইয়ামান (রহঃ) -এর অনুসরণ করেছেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الأَقْرَبِينَ (তোমার নিকটাত্মীয়দের সতর্ক কর) এ আয়াত অবতীর্ণ হল, তখন রসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং বললেন, হে কুরাইশ সম্প্রদায়! অথবা অনুরূপ বাক্য, নিজেদের কিনে নাও। আমি আল্লাহ্র নিকট তোমাদের কোন উপকারে আসব না। হে বানী আব্দে মানাফ! আল্লাহ্র নিকট আমি তোমাদের কোন উপকারে আসব না। হে ‘আব্বাস ইব্নু আবদুল মুত্তালিব! আমি আল্লাহ্র নিকট তোমার কোনই উপকারে আসব না। হে আল্লাহ্র রসূলের ফুফু সফীয়্যাহ! আমি তোমার কোনই উপকার করতে পারব না। হে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমা! আমার ধন-সম্পদ থেকে যা ইচ্ছে চাও, কিন্তু আল্লাহ্র নিকট আমি তোমার কোনই উপকারে আসব না। আস্বাগ (রহ.).....ইব্নু শিহাব (রহ.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। [২৭৫৩] (আ.প্র. ৪৪০৬, ই.ফা. ৪৪০৯)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়ঃ “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”-(সূরাহ্ আশ্ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফা পর্বতের উপর দাঁড়িয়ে বললেন, হে ফাতিমাহ্ বিনতু মুহাম্মাদ! হে সাফিয়্যাহ বিনতু ‘আবদুল মুত্তালিব! হে ‘আবদুল মুত্তালিবের বংশধর! আল্লাহর ‘আযাব থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করার আমার কোন ক্ষমতা নেই। তোমরা আমার কাছে আমার সম্পদের যা খুশি চাও। (ই.ফা. ৩৯৭; ই.সে. ৪১০)
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর উপর (আরবি) “আপনি আপনার নিকট আত্মীয়দের সতর্ক করে দিন” নাযিল হলো, তখন তিনি বললেন: হে কুরায়শ সম্প্রদায়! তোমরা নিজেদেরকে আল্লাহ্র নিকট হতে ক্রয় করে নাও (আল্লাহ্র আযাব হতে রক্ষা কর)। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্ (আযাব) হতে রক্ষা করতে সক্ষম নই। হে আবদুল মুত্তালিবের সন্তানেরা! তোমরা নিজেদের ক্রয় করে নাও। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্ (আযাব) হতে রক্ষা করতে পারব না। হে আব্বাস ইব্ন আবদুল মুত্তালিব! আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্ (আযাব) হতে রক্ষা করতে পারব না। হে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফুফী সফিয়্যা! আমি আপনাকে আল্লাহ্র আযাব হতে রক্ষা করতে পারব না। হে মুহাম্মদের কন্যা ফাতিমা! তুমি যা ইচ্ছা আমার নিকট চাইতে পার, আমি তোমাকে আল্লাহ্ (আযাব) হতে রক্ষা করতে পারব না।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: যখন “আপনি আপনার নিকটাত্মীয়কে সতর্ক করুন", এ আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হে কুরায়শের লোকগণ! তোমরা নিজেদেরকে আল্লাহর নিকট হতে খরিদ কর (আযাব হতে রক্ষা কর)। আমি আল্লাহর (আযাবের) সামনে তোমাদেরকে কোন উপকার করতে পারব না। (রক্ষা করতে সক্ষম হবে না)। হে আবদে মানাফের বংশধরগণ! আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্র আযাব হতে রক্ষা করতে পারব না। হে আব্বাস ইব্ন আবদুল মুত্তালিব! আমি তোমার কোন উপকার সাধন করতে পারব না। হে রাসূলুল্লাহ্র ফুফী সফিয়্যা! আমি আল্লাহ্র আযাব হতে আপনাকে রক্ষা করতে সক্ষম নই। হে ফাতিমা! তুমি যা ইচ্ছা আমার নিকট চাইতে পার, আল্লাহ্র আযাব হতে তোমাকে রক্ষা করার সামর্থ্য আমার নেই।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: যখন (আরবি) আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হে মুহাম্মদ-তনয়া ফাতিমা! হে আবদুল মুত্তালিবের কন্যা সফিয়া! হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধররা! আল্লাহর বিপক্ষে আমি তোমাদের কোন কাজে আসব না (আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্র আযাব হতে রক্ষা করতে সক্ষম নই)। তোমরা আমার মাল হতে যা ইচ্ছা চেয়ে নিতে পার।