আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত অবতীর্ণ হলো (অর্থ) “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”-(সূরাহ্ আশ্ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে কুরায়শগণ! আল্লাহর (‘আযাব) থেকে তোমরা নিজেদের কিনে নাও (বাঁচাও)। আল্লাহর (‘আযাব) থেকে তোমাদের রক্ষা করার কোন ক্ষমতা আমার নেই। ওহে ‘আবদুল মুত্তালিব-এর বংশধর! তোমাদের আমি রক্ষা করতে পারব না। হে ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব! তোমাকেও আমি রক্ষা কতে পারব না। হে সাফিয়্যাহ্ রসূলুল্লাহ্র ফুপু আমি আল্লাহর (‘আযাব) থেকে তোমার কোন উপকার করতে পারব না। হে রসূলুল্লাহ্র কন্যা ফাতিমাহ্! তোমার যা ইচ্ছা চাও। আল্লাহর (‘আযাব) থেকে আমি তোমাকে রক্ষা করতে পারবো না। (ই.ফা. ৩৯৮; ই.সে. ৪১১)
আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো : “আপনি আপনার নিকটাত্মীয়দের ভয় প্রদর্শন করুন” (২৬ : ২১৪), তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে সাফিয়্যা বিনতু আবদিল মুত্তালিব, হে ফাতিমা বিনতু মুহাম্মাদ, হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধর! আল্লাহ্ তা’আলার (পাকড়াও) হতে তোমাদেরকে বাঁচানোর ক্ষমতা আমার নেই। আমার ধন-সম্পদ হতে তোমরা যতটুকু খুশি চাইতে পার (কিতাবুল তাফসীরে পুনরুক্ত)। সহীহ্ , মুসলিম (১/১৩৩)।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন “তোমরা নিকট আত্মীয়-স্বজনদের সতর্ক কর”- (সুরা শু’আরা ২১৪)। এ আয়াত অবতীর্ণ হলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “হে আব্দুল মুত্তালিবের কন্যা সাফিয়াহ, হে মুহাম্মাদের কন্যা ফাতিমাহ, হে আব্দুল মুত্তালিবের গোত্রের লোকেরা! তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলার পাকড়াও থেকে রক্ষা করার কোন ক্ষমতা আমার নেই। আমার সম্পদ হতে যত ইচ্ছা তোমরা চেয়ে নিতে পার।” সহীহঃ মুসলিম।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: যখন (আরবি) আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হে মুহাম্মদ-তনয়া ফাতিমা! হে আবদুল মুত্তালিবের কন্যা সফিয়া! হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধররা! আল্লাহর বিপক্ষে আমি তোমাদের কোন কাজে আসব না (আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্র আযাব হতে রক্ষা করতে সক্ষম নই)। তোমরা আমার মাল হতে যা ইচ্ছা চেয়ে নিতে পার।