হানযালাহ ইবনু ক্বায়িস আল-আনসারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ)-কে সোনা (দীনার) ও রূপার (দিরহাম) বিনিময়ে জমি ভাড়ায় খাটানো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এতে আপত্তি নেই। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুগে লোকেরা নালার পার্শ্ববর্তী জমি, পাহাড়ের পাদদেশের জমি ও অন্যান্য কৃষিভূমি ভাগচাষে খাটাতো। এতে দেখা যেতো, এ অংশে কোন ফসলই উৎপন্ন হতো না কিন্তু ওপর অংশে যথেষ্ট ফসল উৎপন্ন হতো। আবার কখনো এ অংশের ফসল নিরাপদ থাকতো অথচ অপর অংশের ফসল নষ্ট হয়ে যেতো। তখন ভাগচাষ ব্যতিত জমি বন্দোবস্ত দেয়ার অন্য কোন নিয়ম প্রচলিত ছিলো না। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাগ চাষ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। অবশ্য নির্দিষ্ট ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকলে কোন আপত্তি নেই। বর্ণনাকারী ইবরাহীমের বর্ণনাটি পূর্ণাঙ্গ।
হানযালা ইবন্ কায়স আল-আনসারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাফে’ ইবন্ খাদীজ (রাঃ) -কে স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে ভূমি বর্গা দেয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি। তিনি বললেন, এতে কোন দোষ নেই। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর যুগে লোকেরা বড়-ছোট নালার পাশে উৎপন্ন ফসলের বিনিময়ে ভূমি বর্গা দিতেন। কোন সময়ে এটায় ফসল ফলতো, ওটায় ফসল ফলতো না। আবার কোন সময়ে ওটায় ফসল ফলতো, এটাতে ফলতো না (এতে লোকের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হত)। তখন বর্গা বলতে এই ছিল। এ জন্য তা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। তবে যদি নির্দিষ্ট কিছুর বিনিময়ে বর্গা দেওয়া হয় যা কেরায়া গ্রহীতার দায়িত্বে থাকবে তবে কোন অসুবিধা নেই।