সহিহ বুখারী অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->মাঠের ফসল (যা এখনও কাটা হয়নি) ওজনকৃত খাদ্যের বদলে ফসল বিক্রি করা। হাঃ-২২০৫

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযাবানা নিষেধ করেছেন, আর তা হলো বাগানের ফল বিক্রয় করা। খেজুর হলে মেপে শুকনো খেজুরের বদলে, আঙ্গুর হলে মেপে কিসমিসের বদলে, আর ফসল হলে মেপে খাদ্যের বদলে বিক্রি করা। তিনি এসব বিক্রি নিষেধ করেছেন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->ব্যবসা-বাণিজ্য বাব->মুযাবানা ও মুহাকালা প্রসঙ্গে। হাঃ-২২৬৫

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুষাবানা ধরনের ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। বাগানের তাজা খেজুর গাছে থাকা অবস্থায় (সংগৃহীত) ওজনকৃত শুকনো খেজুরের বিনিময়ে বিক্রয় করাকে ‘মুযাবানা’ বলে। অনুরূপভাবে তাজা আঙ্গুর ওজনকৃত শুকনা আঙ্গুর (কিশমিশ) - এর বিনিময়ে বিক্রয় করা, ক্ষেতের শস্য (সংগৃহীত) ওজনকৃত শস্যের বিনিময়ে বিক্রয় করাও (মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত)। তিনি এই প্রকারের লেনদেন করতে নিষেধ করেছেন। [২২৬৫]


সুনান নাসাঈ অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->খাদ্যের পরিবর্তে ক্ষেতের শস্য বিক্রয় করা হাঃ-৪৫৪৯

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘মুযাবানা’ ধরনের ক্রয়-বিক্রয় হতে নিষেধ করেছেন, আর তা খেজুরের ক্ষেত্রে এরূপ: বাগানের গাছে যে খেজুর রয়েছে, তা নির্দিষ্ট পরিমাণ খেজুরের বিনিময়ে বিক্রী করা। আর আঙ্গুরের ক্ষেত্রে এরুপঃ বাগানের গাছে যে আঙ্গুর আছে, তা নির্দিষ্ট পরিমান কিশমিশের বিনিময়ে বিক্রি করা। আর তা শস্যের মধ্যে এরূপ যে, ক্ষেতে যে শস্য আছে, তা নির্দিষ্ট পরিমাণ কর্তিত খাদ্য শস্যের বিনিময়ে বিক্রী করা। এই সকল প্রকারকেই তিনি নিষেধ করেছেন।