‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযাবানা নিষেধ করেছেন। তিনি (ইবনু ‘উমর) বলেন, মুযাবানা হলো তাজা খেজুর শুকনো খেজুরের বদলে ওজন করে বিক্রি করা এবং কিসমিস তাজা আঙ্গুরের বদলে ওজন করে বিক্রি করা।
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযাবানা হতে নিষেধ করেছেন। মুযাবানার অর্থ হল মেপে শুকনো খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর এবং মেপে কিসমিসের বিনিময়ে আঙ্গুর ক্রয় করা।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ক্রয় করার ইচ্ছা ছাড়া মূল্য বাড়ানোর উদ্দেশে মূল্য বলতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৭৬, ই.সে. ৩৬৭৬)
ইবনু ‘উমার (রা.) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফল উপযোগী হওয়ার পূবেৃ বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। নিষেধ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই। (ই.ফা. ৩৭২০, ই.সে. ৩৭১৯)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুকুর হত্যা করার জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন। (ই. ফা. ৩৮৭১, ই. সে. ৩৮৭০)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, শত্রু একালায় কুরআন মাজীদ নিয়ে ভ্রমণ করতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৪৬৮৬, ই.সে. ৪৬৮৮)
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন, ‘মুযাবানা’ ধরনের ক্রয়-বিক্রয় হতে। আর ‘মুযাবানা’ হলো শুস্ক খেজুরের পরিবর্তে গাছের খেজুর অনুমান করে কায়ল (পরিমাপের পাত্র বিশেষ) হিসেবে বিক্রী করা এবং কিশমিশের পরিবর্তে গাছের আঙুর অনুমান করে কায়ল হিসেবে বিক্রী করা।