যায়দ ইবনু সাবিত (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরায়া পদ্ধতির ক্রয়-বিক্রয়ে অনুমানে পরিমাণ নির্ধারণ করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। ইয়াহ্ইয়া বলেন, আরায়া হলো নিজের পরিবারবর্গকে তাজা রসাল খেজুর খাওয়াবার জন্যে গাছের ঝুলন্ত খেজুর অনুমান দ্বারা পরিমাণ করে শুকনা খেজুরের বিনিময়ে খরিদ করে রাখা। (ই.ফা. ৩৭৩৯, ই.সে. ৩৭৩৯)
যায়দ ইবনু সাবিত (রা.) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দানকৃত খেজুর অনুমানে পরিমাপ করে বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ৩৭৪০, ই.সে. ৩৭৪০)
যায়দ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাছের উপরিস্থিত খেজুর অনুমানে পরিমান নির্ধারণ করে সংগৃহীত খেজুরের বিনিময়ে বিক্রয় করার অনুমতি দিয়েছেন। ইয়াহইয়া (রাঃ) বলেন, গাছের মাথার খেজুর অনুমানে পরিমান নিরূপণ করে ঘরের শুকনা খেজুরের সাথে বিনিময় করাকে আরিয়্যা বলে। [২২৬৯]
যায়দ ইব্ন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরায়ার ক্ষেত্রে অনুমতি দান করেছেন যে, তা অনুমান করে বিক্রী করা যাবে।
যায়দ ইব্ন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরায়ার ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছেন যে, তা অনুমান করে খোরমার বিনিময়ে বিক্রী করা যাবে।