সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতে হোক বা সলাতের বাইরে মাসজিদে থুথু নিক্ষেপ করা নিষিদ্ধ হাঃ-১১১১

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ (একদিন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের ক্বিবলাতে কাশি বা শিকনি দেখতে পেলেন কথাটা উল্লেখিত হয়েছে। এরপর তারা মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১০৪, ই.সে ১১১৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->লি’আন বাব->লি'আন সম্পর্কে হাঃ-৩৬৩৬

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আজলান গোত্রের ‘উওয়াইমির আনসারী ‘আসিম ইবনু ‘আদীর কাছে এলেন ... পরবর্তী অংশ মালিক বর্ণিত হাদীসের মত বর্ণনা করেন। তিনি তার হাদীসে এ কথাও বলেছেন, “উওয়াইমির তার স্ত্রীকে আলাদা করে দেয়াতে পরবর্তীতে লি’আনকারীদ্বয়ের জন্য তা বিধানরূপে পরিগণিত হল।’’ তিনি তার বর্ণনায় আরও উল্লেখ করেছেন, “সাহল বলেছেন- সে মহিলাটি ছিল গর্ভবতী। সে গর্ভজাত সন্তানটিকে পরবর্তীতে তার মায়ের দিকে সম্বন্ধ করে ডাকা হয়।’’ এরপর এ বিধান প্রবর্তিত হলো যে, সে তার মায়ের ওয়ারিস পাবে এবং তার মা আল্লাহর নির্ধারিত অংশ হিসেবে তার (সন্তান) থেকে মিরাসের অধিকারী হবে। (ই.ফা.৩৬০২, ই.সে.৩৬০২)


সহিহ মুসলিম অঃ->দাসমুক্তি বাব->ওয়ালা (আযাদ করা দাসের স্বত্বাধিকার) বিক্রি কিংবা হেবা করা নিষিদ্ধ হাঃ-৩৬৮১

ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে সাকাফী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে ‘উবাইদুল্লাহ সূত্রে উল্লেখ নেই। এ বর্ণনায় বিক্রির কথা রয়েছে। তবে তিনি হেবার কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৩৬৪৭, ই.সে. ৩৬৪৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->হিবাত (দান) বাব->কাউকে কিছু দান করার পর সে বস্তুটি তার কাছ থেকে ক্রয় করা মাকরূহ হাঃ-৪০৬০

কুতাইবাহ্ ও ইবনু রুম্হ (রহঃ) লায়স ইবনু সা‘দ (রহঃ) হতে এবং মুকাদ্দামী, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, ইবনু নুমায়র, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে, উভয়ে বর্ণনা করেন নাফি‘ সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীসটি মালিক (রহঃ)- এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪০২৩, ই.সে. ৪০২২)


সহিহ মুসলিম অঃ->ওয়াসিয়্যাত বাব->এক তৃতীয়াংশের ওয়াসিয়্যাত হাঃ-৪০৯৮

ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উবাইদুল্লাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। আর তাঁরা সবাই এভাবে বলেছেন যে তার কাছে এমন সম্পদ আছে, যাতে সে ওয়াসিয়্যাত করতে পারে। কিন্তু আইয়ূব (রহঃ)- এর হাদীসে রয়েছে যে, তিনি বলেছেন, সে তাতে ওয়াসিয়্যাত করতে চায়। 'উবাইদুল্লাহ থেকে ইয়াহ্‌ইয়ার বর্ণনার মতই। ( ই. ফা. ৪০৬০, ই. সে. ৪০৫৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->আল্লাহ তা’আলা ছাড়া অন্য কারো কসম করার নিষেধাজ্ঞা হাঃ-৪১৫০

মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ মুসান্না, ইয়াহ্‌ইয়া, বিশ্‌র ইবনু হিলাল, আবূ কুরায়ব, ইবনু আবূ 'উমার, ইবনু রাফি', ইসহাক্‌ ইবনু ইবরাহীম ইবনু রাফি' (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা সকলেই ইবনু 'উমার (রহঃ) হতে অনুরূপ ঘটনা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪১১২, ই.সে. ৪১১০)


সহিহ মুসলিম অঃ->কসম বাব->কল্যাণকামিতার সাথে মনিবের সেবা ও ভালভাবে আল্লাহর ‘ইবাদাতকারী দাস-দাসীর পুরস্কার হাঃ-৪২১১

যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু নুমায়র, আবূ বাক্র আবূ শাইবাহ্ ও হারূন ইবনু সা‘ঈদ আইলী (রহঃ) ..... সকলেই ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মালিক (রহঃ) ...... এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৭৩, ই.সে. ৪১৭২)


সহিহ মুসলিম অঃ->অপরাধের (নির্ধারিত) শাস্তি বাব->চুরির শাস্তি ও তার পরিমাণ হাঃ-৪২৯৯

ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত মালিক (রাঃ)– এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাঁদের মধ্য থেকে কেউ কেউ (আরবী) (তার মূল্য) শব্দটি উল্লেখ করেছেন এবং কেউ কেউ (আরবী) (সেটার মূল্য তিন দিরহাম) উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৪২৬০, ই.সে. ৪২৬০)


সহিহ মুসলিম অঃ->হারানো বস্তু প্রাপ্তি বাব->মালিকের বিনানুমতিতে কোন পশুর দুধ দোহন হারাম হাঃ-৪৪০৪

কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, আবূ রাবি’, আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু আবূ ‘উমার ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) সকলেই ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মালিক (রাঃ) –এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের হাদীসে (আরবী) রয়েছে। কিন্তু লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে “তাঁর খাদ্য সামগ্রী স্থানান্তর করে নিয়ে যায়” অংশটি মালিক (রাঃ) –এর বর্ণনার অনুরূপ বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৪৩৬৩, ই.সে. ৪৩৬৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ন্যায়পরায়ণ শাসকের মর্যাদা ও অত্যাচারী শাসকের পরিণাম, শাসিতদের প্রতি কোমল আচরণ ও কঠোরতা বর্জন হাঃ-৪৬১৯

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, ইবনু মুসান্না ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু সা’ঈদ সকলেই ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার থেকে অন্য সানাদে আবূ রাবী’ ও আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও হারূন ইবনু সা’ঈদ আইলী (রহঃ) সকলেই নাফি’ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৭৪, ই.সে. ৪৫৭৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা এবং সেগুলোকে প্রশিক্ষণ দেয়া হাঃ-৪৭৩৮

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ, কুতাইবাহ ইবনু সা‘ঈদ, খালাফ ইবনু হিশাম, আবূ রাবী‘, আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু নুমায়র, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু সা‘ঈদ, ‘আলী ইবনু হুজর, আহমাদ ইবনু ‘আবদাহ, ইবনু আবূ ‘উমার, মুহাম্মদ ইবনু রাফি‘, হারূন ইবনু সা‘ঈদ আইলী (রহঃ) সকলেই নাফি‘ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) পূর্ববর্তী হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে হাম্মাদ ও ইবনু ‘উলাইয়্যাহ সূত্রে আইয়ূব (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে এতটুকূ বেশী বর্ণিত হয়েছে যে, ‘আবদুল্লাহ (ইবনু উমার) বলেন, আমি সে প্রতিযোগিতায় প্রথম হই এবং আমার ঘোড়াটি আমাকে নিয়ে লাফিয়ে মাসজিদে উঠে যায়। (ই.ফা. ৪৬৯১, ই.সে. ৪৬৯২)


সহিহ মুসলিম অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু এবং যেসব পশুর গোশত খাওয়া হালাল বাব->গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল হাঃ-৪৯২৫

নাফি’ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাফি’ (রাঃ) সূত্রে ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) কর্তৃক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে গুইসাপ সম্পর্কে লায়স কর্তৃক নাফি’র মাধ্যমে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে আইয়ূব বর্ণিত হাদীসে আরো রয়েছে, ‘রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে গুইসাপের গোশ্ত নিয়ে আসা হলো। তিনি তা খাননি এবং হারামও বলেননি’। আর উসামাহ্ (রাঃ)-এর এক হাদীসে রয়েছে, ‘এক লোক মাসজিদে দাঁড়ালো, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারে বসা ছিলেন’। (ই.ফা. ৪৮৭৪, ই.সে. ৪৮৭৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->পানীয় বস্তু বাব->মুযাফ্‌ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা হাঃ-৫০৮৩

উসামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁদের প্রত্যেকেই নাফি (রহঃ)-এর সনদে ইবনু উমার (রাঃ) হতে মালিক (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মালিক ও উসামাহ (রহঃ) ভিন্ন অন্য কেউ “কোন এক যুদ্ধে” কথাটি বর্ণনা করেন নি। (ই.ফা. ৫০২০, ই.সে. ৫০৩০)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাম বাব->তৃতীয় ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তাকে রেখে দু'জনের চুপি চুপি কথা বলা নিষিদ্ধ হাঃ-৫৫৮৮

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) -এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে মালিক (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অর্থানুযায়ী বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৫৫০৭, ই.সে. ৫৫৩২)


সহিহ মুসলিম অঃ->‘ইল্‌ম বাব->শেষ যামানায় ‘ইল্‌ম উঠে যাওয়া, অজ্ঞতা ও ফিতনা প্রকাশ পাওয়া প্রসঙ্গে হাঃ-৬৬৯০

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

জারীর-এর হাদীসের অবিকল বর্ণিত। হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) ‘উমার ইবনু ‘আলী (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে এ অংশটুকু বর্ধিত বলেছেন- ‘এরপর আমি (ইবনু ‘উরওয়াহ্) এক বৎসরের মাথায় (পরে)’ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁকে প্রশ্ন করলাম; এরপর তিনি হাদীসটি যেমন বর্ণনা দিয়েছিলেন, আমাকে হুবহু হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৬৫৫৩, ই.সে. ৬৬০৭)