আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি প্রতিবার উঠা-বসায় তাকবীর বলতেন। তিনি বলতেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমনই করতেন। (ই. ফা. ৭৫৬, ই. সে. ৭৬৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট থেকে উপরের হাদীসের অনূরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।(ই.ফা. ৭৯৭ , ই.সে. ৮০৯)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ... উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ২২১৪, ই.সে.২২১৫)
সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৪২২, ই.সে. ২৪২১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহাকালাহ্ [১৫] ও মুযাবানাহ[১৬] থেকে নিষেধ করেছেন। (ই.ফা. ৩৭৮৯, ই.সে. ৩৭৮৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তাঁদের সবার হাদীসের হুবহু বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৫২০৫, ই.সে. ৫২১৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কিয়ামাত ততক্ষণ পর্যন্ত কায়িম হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না ‘হার্জ’ বেড়ে যায়। সহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! ‘হার্জ’ কি? উত্তরে তিনি বললেন, হত্যা, হত্যা। (ই.ফা. ৬৯৯৩, ই.সে. ৭০৫০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।